চাকরির ভাইভা প্রস্তুতি - Job Viva Preparation

চাকরির ভাইভা প্রস্তুতি - Job Viva Preparation সফল ভাইভার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আগে থেকে ভাইভা প্রস্তুতি না নিলে ভাইভাতে ভালো করা কষ্টসাধ্য হয়ে যায়। তাই সকল চাকরির প্রার্থিদের আগে থেকেই ভাইভা প্রস্তুতি নিতে হবে।

ভাইভার মান-বন্টন
ভাইভা বোর্ডের সামনে সাক্ষাৎকার বা মৌখিক পরীক্ষার জন্য ১০ নম্বর
এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে (এক্ষেত্রে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণরা পাবেন ৫ নম্বর, দ্বিতীয় বিভাগে উত্তীর্ণরা ২ নম্বর এবং তৃতীয় বিভাগে উত্তীর্ণরা কোনো নম্বর পাবেন না) ৫ নম্বর
প্রার্থীর ব্যক্তিত্বের জন্য (বোর্ডে নিজেকে সুন্দরভাবে উপস্থাপনের ওপর) ৫ নম্বর
সর্বমোট ২০ নম্বর

ভাইভা সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ টিপস

চাকরি নিয়োগ বা ক্যারিয়ার গঠনের ক্ষেত্রে মৌখিক পরীক্ষা বা ভাইভা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রথমিকভাবে লিখিত পরীক্ষায় ভালো করলেও নিয়োগপ্রাপ্তির বিষয়টি চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হয় ভাইভা বোর্ডে নিজেকে একজন যোগ্য প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপনের মাধ্যমে। কিন্তু প্রার্থীর জন্য এটা অনেক ক্ষেত্রেই আতঙ্কজনক। তবে আতঙ্ক বা উদ্বেগকে দূরে সরিয়ে রেখে ভাইভায় ভালো ফল করার জন্য মানসিক দৃঢ়তা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। এক্ষেত্রে সবসময় মাথা ঠান্ডা রেখে, বিচলিত না হয়ে এবং ধীরস্থিরভাবে ভাইভা দিতে হবে। নিজের সম্পর্কে কখনো হীন ধারণা পোষণ করা যাবে না। সব সময় ইতিবাচক কথা ভাবতে ও বলতে হবে। সর্বোপরি মানানসই ও নিখুঁত ভাইভা দিতে হলে এক কথায় প্রয়োজন আকর্যণীয় পোশাক-আশাক, কথাবার্তায় দৃঢ়তা, সফল হওয়ার মনোভাব, প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও নিজের ওপর আস্থা। মানসচক্ষে সাফল্যকে অনুভব করতে পারলে তা অর্জন করাও অনেক সহজ হয়ে যায়।

পরীক্ষার দিনের পূর্বপ্রস্তুতি

১. নির্ধারিত সময়ের বেশ কিছু আগেই প্রস্তুতি সেরে ফেলতে হবে।
২. যেসব কাগজপত্র বোর্ডের সামনে পেশ করতে হবে সেগুলো, প্রবেশপত্র (Interview Card), বিভিন্ন সার্টিফিকেটের মূল কপি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পূর্বেই গুছিয়ে নিতে হবে।
৩. চুল-নখ, দাড়ি-গোঁফ কেটে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হয়ে নেয়া উচিত।
৪. পোশাক-আশাক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হওয়া আবশ্যক। কেননা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং মানানসই পোশাক মনে প্রফুল্লতা আনে, আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং পরীক্ষকের মনেও রেখাপাত করে। পোশাক খুব রং-চংয়ে বা চটুল না হওয়া ভালো। তবে মৌসুম অনুযায়ী মানানসই যে কোনো পোশাক পরিধান করা যায়।

৫. সম্ভব হলে ঐ দিনের প্রধান প্রধান দৈনিক পত্রিকার মূল বিষয়গুলো একবার দেখে নেয়া ভালো।
৬. নির্দিষ্ট সময়ের অন্তত এক ঘন্টা আগে পরীক্ষার হলে পৌঁছা উচিত।
৭. সাহস ও মনোবল সহকারে ভাইভা বোর্ডের মুখোমুখি হওয়া উচিত। পরীক্ষার বিষয়ে অযথা ভয় পাওয়া উচিত নয়। নার্ভাস অনুভব করলে অনেক সময় জানা উত্তরও এলোমেলো হয়ে যায়। তাই বোর্ডে যাওয়ার আগে নার্ভাস না হয়ে স্মার্টনেসের সঙ্গে সবকিছু মোকাবিলায় সচেষ্ট হতে হবে।
৮. সবচেয়ে বড় কথা হলো, ভাইভা বোর্ডের সদস্যবৃন্দের মনে যেন আপনার সম্পর্কে একটি ইতিবাচক ধারণা তৈরি হয়।

ভাইভা বোর্ডে প্রবেশ করার পর করণীয়

১. প্রবেশ করে সালাম দিতে হবে: ভাইভা বোর্ডে প্রবেশ করার পর পরীক্ষকগণের সামনে দাঁড়িয়ে সালাম দিতে হবে। সালাম দেওয়ার পর পরীক্ষকগণ বসতে বললে বসতে হবে। বসতে না বললে খানিক্ষণ অনুমতির জন্য দাঁড়িয়ে থাকতে হবে এবং অনুমতি না পেলে অনুমতি নিয়ে বসতে হবে।

২. আচরণ মার্জিত হতে হবে: প্রশ্নকর্তার প্রশ্ন ভালোভাবে শুনে শান্তভাবে আত্মবিশ্বাসের সাথে এক এক করে উত্তর দিতে হবে। সব সময় মার্জিত আচরণ করতে হবে। কারণ ভদ্র ও মার্জিত ব্যবহারে সকলেই মুগ্ধ হয়।

৩. বক্তব্যে স্থির ও অটল থাকতে হবে: আপনি আপনার বক্তব্যে স্থির ও অটল থাকুন। শুদ্ধ বা অশুদ্ধ যাই হোক না কেন। দু-তিনটি প্রশ্নের উত্তর দিতে না পারলে তেমন কিছু যায় আসে না। কিন্তু মনোবল ও সংকল্পে দৃঢ় হওয়া বাঞ্ছনীয়।

৪. রাগান্বিত হওয়া যাবে না: কোনো ব্যক্তিগত বা গোপনীয় প্রশ্নে রাগান্বিত হওয়া যাবে না। ঠান্ডা মাথায় প্রত্যুৎপন্নমতিত্বের সঙ্গে উত্তর দিতে হবে। কারণ পরীক্ষক পরীক্ষা করার জন্য কটাক্ষ করেও কিছু প্রশ্ন করতে পারেন।

৫. উত্তর সহজ ও সুস্পষ্ট হতে হবে: উত্তর হতে হবে সুস্পষ্ট ও সহজবোধ্য। ভালো করে না শুনে কোনো প্রশ্নের উত্তর দেবেন না। প্রশ্নকর্তা কি বলেন সেদিকে মনোযোগ সহকারে খেয়াল রাখতে হবে এবং কোনো প্রশ্ন বুঝতে অসুবিধা হলে বিনয়ের সঙ্গে পুনরায় জেনে নিতে হবে।

৬. তর্ক বা চ্যালেঞ্জ করা যাবে না। বোর্ড সদস্যদের সাথে তর্ক করা বা কোনো প্রশ্নে ভুল হলে তা নিয়ে চ্যালেঞ্জ করা উচিত নয়। সদস্যদের কোনো ভুল তথ্যকে সরাসরি ভুল প্রমাণিত করা থেকে বিরত থাকুন। যদি পারেন তবে যুক্তি সহকারে পরোক্ষভাবে বুঝিয়ে বলুন। কোনো সদস্যের কথার মাঝে বাধা দেবেন না এবং নিজেকে ‘বিজ্ঞ’ হিসেবে প্রমাণের চেষ্টা করবেন না।

৭. ঘাবড়ানো যাবে না: পরীক্ষার হলে কিছুতেই ঘাবড়ে যাবেন না। পরীক্ষকদেরকেও আপনার মতো মানুষ ভাবুন। আরো ভাবুন এ চাকরি না হলে আপনার খুব বেশি অসুবিধা হবে না। ধীরে সুস্থে উত্তর দিন। আর ভেতরে ভেতরে খানিকটা ঘাবড়ে গেলেও বোর্ডকে তা টের পেতে দেবেন না। কারণ অনেকে ঘাবড়ে গিয়ে আবোল-তাবোল কথা বলে বসেন। এটা অবশ্যই ক্ষতিকর।

৮. সবজান্তার ভাব করা অনুচিত: নিজেকে সবজান্তা হিসেবে প্রমাণ করা বা সবজান্তার ভাব করা উচিত নয়। সৌজন্য সহকারে প্রশ্নকর্তার প্রশ্নের জবাব দিন।

৯. বদভ্যাস বা মুদ্রাদোষ পরিহার করুন: কিছু কিছু লোকের কোনো কোনো বিষয়ে বদভ্যাস থাকে। টেবিলের উপর পেন্সিল-কলম ইত্যাদি নিয়ে খেলা করা, চেয়ারে বসে পা নাচানো, শার্টের বোতাম খোলা ও বন্ধ করা ইত্যাদি অনেক রকমের বদভ্যাস থাকে। তাছাড়া কারো কারো মধ্যে একই কথা বারবার বলার মতো মুদ্রাদোষ দেখা যায়। যেমন- মানে, মানে, বুঝলেন কি, মনে করেন, Suppose ইত্যাদি। এসব মুদ্রাদোষ অবশ্যই পরিহার করতে হবে।

১০. উপস্থিত বুদ্ধি কাজে লাগান: মৌখিক পরীক্ষায় ভেবেচিন্তে ‍উত্তর দেয়ার মতো সময় আপনার হতে থাকে না। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই বিচক্ষণতার সাথে উত্তর দিতে হয়। এক্ষেত্রে আপনার উপস্থিত বুদ্ধিকে যতটা সম্ভব কাজে লাগান।

১১. চোখের দিকে তাকিয়ে উত্তর দিন: প্রশ্নকর্তার চোখের দিকে তাকিয়ে উত্তর দিন। ঘাড় গুঁজে নিচের দিকে তাকিয়ে থাকা ঠিক নয়। চোখে চোখে তাকিয়ে উত্তর দেয়া ভালো।

১২. সঠিক ভাষা প্রয়োগ করুন: সময়মতো সঠিক শব্দ প্রয়োগ করে উত্তর দেয়ার চেষ্টা করুন। উত্তর যথাযথ, সংক্ষিপ্ত ও চিত্তাকর্ষক হওয়াই উত্তম।

১৩. হাসিখুশি ও প্রফুল্লচিত্ত থাকুন: প্রফুল্লচিত্ত লোককে সকলেই পছন্দ করে। তাই মুখে সপ্রতিভ হাসি রাখা ভালো। প্রফুল্লচিত্ত মানুষ পরিবেশকেও প্রফুল্ল করে তোলে। কিন্তু এটা অবশ্যই পরীক্ষকের সঙ্গেও হাসি-তামাশার মতো হওয়া ঠিক নয়।

ভাইভা বা মৌখিক পরীক্ষার জন্য বিশেষ দ্রষ্টব্য

মৌখিক পরীক্ষা বা ভাইভা বোর্ডে উপস্থিত হওয়ার আগে সব পরীক্ষার্থীকে নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর উপর বিস্তারিত ধারণা রাখা একান্ত প্রয়োজন। বিষয়গুলো হচ্ছে:

১. বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান, আয়তন, জনসংখ্যা ইত্যাদি।
২. আপনার নিজ জেলার আয়তন, লোকসংখ্যা, শিক্ষার হার, উপজেলা/ থানার সংখ্যা ইত্যাদি।
৩. আপনার নিজ উপজেলা/ থানার আয়তন, লোকসংখ্যা, শিক্ষার হার, প্রধান প্রধান ফসল ইত্যাদি।
৪. আপনার উপজেলা বা থানার বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব: ক. রাজনীতিবিদ, খ. সাহিত্যিক, গ. সমাজ দরদী ইত্যাদি।

৫. আপনার নামের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব।
৬. আপনি বর্তমানে চাকরিরত হলে চাকরির সাথে সম্পৃক্ত বিষয়াদি।
৭. আপনার পছন্দনীয় কাজ (Hobby)।
৮. আপনার পঠিত কয়েকটি দেশী-বিদেশী বইয়ের নাম।

৯. পরীক্ষার দিনে জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
১০. আপনার এলাকা কি কারণে বিখ্যাত?
১১. আপনার এলাকার সংসদ সদস্য বা মন্ত্রীর নাম।
১২. স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে আপনি যেসব বিষয়ে অধ্যয়ন করেছেন সেগুলোর নাম।

১৩. আপনার প্রিয় (Favourite) বিষয়।
১৪. বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ দৈনিক পত্রিকার নাম।
১৫. দেশের ও বিদেশের সমকালীন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে ধারণা।

ভাইভা বা মৌখিক পরীক্ষার নমুনা সাক্ষাৎকার

মৌখিক পরীক্ষার সাক্ষাৎকার
প্রার্থী : আসসালামু আলাইকুম। ভিতরে আসতে পারি, স্যার?
বোর্ড চেয়ারম্যান : ওয়াআলাইকুমুস সালাম। আসুন, বসুন। আপনার নাম কি?
প্রার্থী : জসিম উদ্দীন
বোর্ড চেয়ারম্যান : আপনার নামে একজন প্রখ্যাত কবি রয়েছেন, তার একটি কবিতার নাম বলুন।
প্রার্থী : তার বিখ্যাত কবিতা ‘কবর’।

পরীক্ষক-১ : আপনি কোন বিষয়ে শিক্ষালাভ করেছেন।
প্রার্থী : আমি শিক্ষায় মাস্টার্স (M.Ed) ডিগ্রি লাভ করেছি।
পরীক্ষক-১ : আচ্ছা বলুনতো শিক্ষা কি?
প্রার্থী : সাধারণ অর্থে জ্ঞান বা দক্ষতা অর্জনই হলো শিক্ষা। ব্যাপক অর্থে পদ্ধতিগত জ্ঞানলাভের প্রক্রিয়াকেই শিক্ষা বলে।
পরীক্ষক-১ : প্রান্তিক যোগ্যতা কি?
প্রার্থী : প্রাথমিক স্তরে শিক্ষালাভ শেষে একটি শিশুর যতটুকু আচরণিক পরিবর্তন হবে, জ্ঞান-দক্ষতা-দৃষ্টিভঙ্গি ও মূল্যবোধের বিকাশ ঘটবে, তাই হচ্ছে ঐ স্তরে অর্জন উপযোগী যোগ্যতা বা প্রান্তিক যোগ্যতা।
পরীক্ষক-১ : বাংলাদেশের প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য কয়টি প্রান্তিক যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়েছে?
প্রার্থী : ৫০টি (পূর্বে ছিল ৫৩টি)
পরীক্ষক-১ : আপনি কেন শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করতে চান?
প্রার্থী : শিক্ষকতা একটি সম্মানজনক পেশা। তাছাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করলে নিজ বাড়িতে থেকে চাকরি করার সুযোগ পাওয়া যাবে যা অন্য অধিকাংশ চাকরির ক্ষেত্রে সম্ভব নয়। আরও নানাবিধ কারণে আমি শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে পছন্দ করি।
পরীক্ষক-১ : একটি ইংরেজি বাক্য শুদ্ধভাবে লিখতে হলে কোন বিষয়টির দিকে সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য রাখা উচিত বলে আপনি মনে করেন?
প্রার্থী : আমার দৃষ্টিতে একটি ইংরেজি বাক্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে Tense. কাজেই ইংরেজি বাক্য শুদ্ধভাবে লিখতে হলে বাক্যের Tense-এর দিকেই সবচেয়ে বেশি লক্ষ রাখা উচিত।

পরীক্ষক-২ : ইংরেজি বাক্যের ক্ষেত্রে Tense এত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার কারণ কি?
প্রার্থী : কারণ ইংরেজি বাক্য গঠন, পরিবর্তন বা সংযোজন সব ক্ষেত্রেই Tense-এর প্রয়োজন হয়।
পরীক্ষক-২ : বলুন তো Deer এর plural form কি?
প্রার্থী : Deer-এর Singular ও Plural form একই অর্থাৎ Deer.
পরীক্ষক-২ : আপনি জানেন কি Deer এর স্ত্রীলিঙ্গ কি হবে?
প্রার্থী : জী স্যার, Doe.
পরীক্ষক-২ : ‘Nomenclature’ শব্দটির বাংলা অর্থ কি?
প্রার্থী : পরিভাষা বা নামকরণ পদ্ধতি।
পরীক্ষক-২ : ইংরেজি ভাষা থেকে আগত কয়েকটি বাংলা শব্দের নাম বলুন।
প্রার্থী : চেম্বার, হাসপাতাল, বিস্কুট ইত্যাদি
পরীক্ষক-২ : ভারতীয় মুসলমানদের মধ্যে শিক্ষা বিস্তারে অনন্য ভূমিকা পালন করেন কে?
প্রার্থী : ভারতীয় মুসলমানদের মধ্যে শিক্ষা বিস্তারে নবাব আব্দুল লতিফ এক অনন্য ভূমিকা পালন করেন।

বোর্ড চেয়ারম্যান : আপনি আসুন। আপনাকে ধন্যবাদ।
প্রার্থী : আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ।