মুসলমানদের জন্য আরবী নামের প্রয়োজনীয়তা

আরবী ভাষার ফযীলত, প্রকৃত মুসলমান হতে হলে আরবী জানতেই হবে, ইসলামে নামের রত্ন ভান্ডার।

ইসলামে নামের রত্ন ভান্ডার

সন্তানের সঠিক অর্থবহ আরবী নাম রাখা প্রত্যেক পিতা-মাতা ও অভিভাবকের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তাই নাম রাখার সময় বা নাম নির্বাচনের সময় দয়া করে তাড়াহুড়ো না করে সময় নিয়ে ধীরে ধীরে আরবী নাম, নামের বাংলা ও ইংরেজী বানান এবং নামের বাংলা অর্থ ভালো করে দেখে নিন। তারপর বাচ্চার নাম নির্ধারণ করুন।

আরবী নামের প্রয়োজনীয়তা

প্রকৃত মুসলমান হতে হলে আরবী জানতেই হবে

পৃথিবীতে যত ভাষা আছে সব ভাষারই সমান মর্যাদা রয়েছে। মানুষ যে ভাষায় কথা বলুক এবং যে ভাষায় আল্লাহ পাক রাব্বুল ইজ্জত কে স্মরণ করুক না কেন, আল্লাহ পাক সব ভাষা জানেন ও বুঝেন।

এ প্রসঙ্গে মহা গ্রন্থ আল কুরআনে আল্লাহ পাক বলেনঃ “আমি প্রত্যেক রাসূলকেই তার স্বজাতির ভাষাভাষী করে পাঠিয়েছি তাদের নিকট পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করার জন্য।”

বস্তুতঃ আল্লাহ তায়ালা সকল ভাষারই মর্যাদা দান করেছেন। তবে তার সৃষ্টির মধ্যে একের ওপর অন্যকে মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন।

এ সম্পর্কে কুরআনে হাকীমে মহান আল্লাহ পাক বলেনঃ আমি (আল্লাহ) তোমাদের একের ওপর অন্যকে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছি।

মানুষের মধ্যে একের ওপর অন্যের যেমন শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে, তেমনি ভাষার ক্ষেত্রেও আরবী ভাষার মর্যাদা সর্বাধিক এবং আরবী ভাষাকে আল্লাহ পাক সবচেয়ে বেশী পছন্দ করেন। কারণ, কুরআনের ভাষা আরবী, রাসূলুল্লাহ (সা)-এর ভাষা আরবী এবং জন্নাতের ভাষাও আরবী। রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন “তিনটি কারণে তোমরা আরবী ভাষাকে ভালবাসবে, তা হচ্ছে কুরআনের ভাষা, জান্নাতের ভাষা এবং আমার ভাষা আরবী।

মহান আল্লাহ এ প্রসঙ্গে বলেনঃ “আমি একে আরবী ভাষায় কুরআন রূপে অবতীর্ণ করেছি, যাতে তোমরা বুঝতে পারো।” (সূরা ইউসুফ- ২)

আল্লাহ তায়ালা অন্য ভাষার তুলনায় আরবী ভাষাকে পছন্দ করেছেন, মুহাম্মদ (সা) আল আরাবীকে সব মানুষের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন, আরবদের মাঝে অবতীর্ণ দীন ইসলামকে পরিপূর্ণতা দান করে শ্রেষ্ঠ ধর্ম হিসেবে মনোনীত করেছেন।

তাই এ প্রসঙ্গে কোরআনে কারীমে মহান আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ এভাবেই আরবী ভাষায় কুরআন অবতীর্ণ করেছি এবং তারই মাঝে বিশদভাবে বর্ণনা করেছি সতর্কবাণী, যাতে তারা (আল্লাহকে) ভয় করে অথবা এর দ্বারা তাদের স্মরণ হতে পারে। (সূরা ত্বা-হা- ১১৩)

কুরআন শরীফের আরো বিভিন্ন আয়াতে এবং রাসূলুল্লাহ (সা) হাদীসে আরবী ভাষার ফযীলত বর্ণিত আছে। প্রকৃত মুসলমান হতে হলে এবং ইবাদতের প্রয়োজনে আরবী জানতেই হবে। আরবী ভাষার মাধ্যমে গড়ে উঠে বিশ্ব মুসলিমের ভ্রাতৃত্ব। বিশ্ব মুসলিমের ঐক্য-সংহতির আরো পরিচয় পাওয়া যায় তাদের আরবী নাম গ্রহণের মাধ্যমে, আমেরিকা থেকে অস্ট্রেলিয়া, পামীর থেকে পিরেনীজ, কাশ্মীর থেকে কন্যা কুমারী যেখানেই মুসলিম বাস করুক না কেন, তাদের মাঝে যত বৈচিত্রই থাকুক না কেন, তাদের ঐক্য আছে, আরবী ভাষার নাম গ্রহণের ক্ষেত্রে। মুসলিম বিশ্বের মাঝে এ ঐক্য-সংহতিকে আরো জোরদার করার জন্য প্রয়োজন ইসলামী নামের ব্যাপক প্রচলন। আর ইসলামী নামের জন্য শর্ত হলো আরবী। তবে আরবী ভাষার সব নামই ইসলামী নাম নয়। প্রিয়নবী (সা) বহু সাহাবীর নাম পরিবর্তন করেছেন। তাই ঐ ধরনের আরবী নামগুলো পরিত্যাজ্য। যে সকর আরবী নামের অর্থের মধ্যে শিরক লুকায়িত থাকে বা আরবী নামের অর্থ আপত্তিকর, যার কোন যথার্থ অর্থ নেই, সে সকল নাম অবশ্যই পরিহার করতে হবে। আল্লাহ ও তার রাসূলের নির্দেশিত পন্থায় নামকরণই হচ্ছে ইসলামী নাম।

ইসলামে নামের যে রত্ন ভান্ডার আছে তা বর্জন করে অন্যভাষার নামকরণ ইহুদীদের “মান্না ও সালওয়ার” মতো বরকত পূর্ণ জান্নাতী খাদ্য পরিত্যাগ করে মাটি থেকে উৎপন্ন খাদ্যাদী পছন্দ করার মতোই সর্বনাশা হঠকারিতা।

এ প্রসঙ্গে কুরআন শরীফে তাদের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে যা সর্বকালেই সর্বলোকের জন্য প্রযোজ্যঃ “তোমরা কি উৎকৃষ্টতর বস্তুকে নিকৃষ্টতর বস্তুর সাথে বদল করতে চাও?” (আল বাক্বারা-৬১)

মনে রাখবেন, সে অত্যন্ত সৌভাগ্যবান, যে আল্লাহ তা’য়ালাকে ভালোবাসে, সে তাঁর রাসূল মুহাম্মদ (সা)-কে ভালবাসে, যে আরাবী রাসূলকে ভালবাসে, সে আরবকে ভালবাসে, যে আরবকে ভালবাসে, সে আরবী ভাষাকেও ভালবাসে। যে ভাষায় আরবী আজমের (বিশ্বের) সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষের ওপর সর্বোত্তম কিতাব অবতীর্ণ হয়েছে। যে ব্যক্তি আরবী ভাষাকে ভালবাসে সে এর গুরুত্ব দান করে এর প্রতি অন্তর নিবদ্ধ রাখে এবং তার প্রয়াস এ ভাষাতেই ব্যয় করে। (আবূ মানসূর ছা’লাবী নিশাপুরী ১৬১-১০৮৯) (ফিকহুল লুগাত ওয়া সিররুল আরাবীয়া)

আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নির্দেশিত পন্থায় ইসলামী আরবী নাম রাখার তাওফীক আমাদের দান করুন। আমীন!

এ দিয়ে ছেলেদের নাম

এ (ع-ا) (A-E-I) দিয়ে ছেলেদের ইসলামী নাম।

A দিয়ে ছেলের নাম

আ দিয়ে ছেলেদের নাম

আ (ا-ع) (A) দিয়ে ছেলেদের আরবী নাম।

আ দিয়ে ছেলের নাম

ব দিয়ে ছেলেদের নাম

ব (ب) (B) দিয়ে ছেলেদের আরবী নাম।

B দিয়ে ছেলের নাম

দ দিয়ে ছেলেদের নাম

দ (د) (D) দিয়ে ছেলেদের আরবী নাম।

দ দিয়ে ছেলের নাম

ফ দিয়ে ছেলেদের নাম

ফ ف F দিয়ে ছেলেদের আরবী নাম।

ফ দিয়ে ছেলের নাম

গ দিয়ে ছেলেদের নাম

গ (غ) (G) দিয়ে ছেলেদের আরবী নাম।

গ দিয়ে ছেলের নাম

ই-ঈ দিয়ে ছেলেদের নাম

ই-ঈ (ى-ا-ع) (I-Y-E) দিয়ে ছেলেদের আরবী নাম।

ই-ঈ দিয়ে ছেলের নাম

জ দিয়ে ছেলেদের নাম

জ (ج) (J) অক্ষর দ্বারা ছেলেদের আরবী নাম।

জ দিয়ে ছেলের নাম

খ দিয়ে ছেলেদের নাম

খ (خ) (Kha) দিয়ে ছেলেদের আরবী নাম।

খ দিয়ে ছেলের নাম

ল দিয়ে ছেলেদের নাম

ল ل L দিয়ে ছেলেদের আরবী নাম।

ল দিয়ে ছেলের নাম

ম দিয়ে ছেলেদের নাম

ম (م) (M) অক্ষর দিয়ে ছেলেদের আরবী নাম।

ম দিয়ে ছেলের নাম

ন দিয়ে ছেলেদের নাম

ন (ن) (N) দিয়ে ছেলেদের আরবী নাম।

ন দিয়ে ছেলের নাম

উ দিয়ে ছেলেদের নাম

উ (ا-ع) (O-U) দিয়ে ছেলেদের আরবী নাম।

উ দিয়ে ছেলের নাম

অ দিয়ে ছেলেদের নাম

অ (و) (O) দিয়ে ছেলেদের আরবী নাম।

অ দিয়ে ছেলের নাম

ক দিয়ে ছেলেদের নাম

ক (ك-ق) (Q-K) দিয়ে ছেলেদের আরবী নাম।

ক দিয়ে ছেলের নাম

দৃষ্টি আকর্ষণঃ সম্মানিত ভিজিটর, ওয়েবসাইটটি ভিজিট করার জন্য আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। আমাদের একটি দল এই ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য দেওয়ার জন্য নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে। আপনি ইচ্ছা করলে এই ওয়েবসাইটে কর্মরত ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে যে কোন পরিমাণ টাকা বিকাশ-এর মাধ্যমে হদিয়া করতে পারেন। হাদিয়া দেওয়ার জন্য বিকাশ পার্সোনাল নাম্বারটি নিচে দেওয়া হলোঃ

01750101908

র দিয়ে ছেলেদের নাম

র ر R দিয়ে ছেলেদের আরবী নাম।

র দিয়ে ছেলের নাম

শ দিয়ে ছেলেদের নাম

শ (ش) (S) অক্ষর দ্বারা ছেলেদের আরবী নাম।

শ দিয়ে ছেলের নাম

ছ-স দিয়ে ছেলেদের নাম

ছ-স (ث-ص-س) (S) দিয়ে ছেলেদের আরবী নাম।

ছ-স দিয়ে ছেলের নাম

ত দিয়ে ছেলেদের নাম

ত (ط-ت) (T) দিয়ে ছেলেদের আরবী নাম।

ত দিয়ে ছেলের নাম

ও দিয়ে ছেলেদের নাম

ও (و) (W) দিয়ে ছেলেদের আরবী নাম।

ও দিয়ে ছেলের নাম

য দিয়ে ছেলেদের নাম

য (ز-ذ) (Z-J) দিয়ে ছেলেদের আরবী নাম।

য দিয়ে ছেলের নাম

আ দিয়ে মেয়েদের নাম

আ (ع-ا) (A) দিয়ে মেয়েদের আরবী নাম।

আ দিয়ে মেয়ের নাম

ব দিয়ে মেয়েদের নাম

ব (B) দিয়ে মেয়েদের আরবী নাম।

ব দিয়ে মেয়ের নাম

গ দিয়ে মেয়েদের নাম

গ (G) দিয়ে মেয়েদের আরবী নাম।

গ দিয়ে মেয়ের নাম

হ দিয়ে মেয়েদের নাম

হ (ح-ه) (H) অক্ষর দিয়ে মেয়েদের আরবী নাম।

হ দিয়ে মেয়ের নাম

ই-ঈ দিয়ে মেয়েদের নাম

ই-ঈ (I-Y-E) দিয়ে মেয়েদের আরবী নাম।

ই-ঈ দিয়ে মেয়ের নাম

খ দিয়ে মেয়েদের নাম

খ (Kha) দিয়ে মেয়েদের আরবী নাম।

খ দিয়ে মেয়ের নাম

ক দিয়ে মেয়েদের নাম

ক (Q-K) দিয়ে মেয়েদের আরবী নাম।

ক দিয়ে মেয়ের নাম

ছ-শ-স দিয়ে মেয়েদের নাম

ছ-শ-স ث-ش-س S দিয়ে মেয়েদের আরবী নাম।

ছ-শ-স দিয়ে মেয়ের নাম

জ-য দিয়ে মেয়েদের নাম

জ-য (ج-ض-ظ-ز-ذ) Z-J অক্ষর দিয়ে মেয়েদের আরবী নাম।

জ-য দিয়ে মেয়ের নাম

উ দিয়ে মেয়েদের নাম

উ (U) অক্ষর দিয়ে মেয়েদের আরবী নাম।

উ দিয়ে মেয়ের নাম

ও দিয়ে মেয়েদের নাম

ও (W) অক্ষর দিয়ে মেয়েদের আরবী নাম।

ও দিয়ে মেয়ের নাম

ভাল নাম

ভাল নাম রাখা পিতার ওপর সন্তানের হক।

ভাল নাম রাখা বিস্তারিত

ইসলামে নামের গুরুত্ব

ইসলামে নামের গুরুত্ব অপরিসীম। নাম রাখার ব্যাপারে প্রত্যেক অভিভাবকের সচেতন হওয়া অত্যন্ত জরুরী।

নামের গুরুত্ব বিস্তারিত

পিতার নামে পরিচয়

পিতার নামেই সন্তানের প্রকৃত পরিচয়। আমরা অনেকেই এ ব্যাপারে সঠিক ধারণা রাখি না। বিশেষ করে মেয়েদের ক্ষেত্রে নামের সাথে পিতার নাম হবে নাকি স্বামীর নাম হবে এ ব্যাপারে উদাসীন।

পিতার নামে পরিচয়