জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত সাহাবীদের নাম

আশারায়ে মুবাশশারা সাহাবীদের নাম, সাহাবীদের নামের তালিকা, শ্রেষ্ঠ সাহাবীদের নাম, জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত সাহাবীদের নাম, উল্লেখযোগ্য সাহাবীদের নাম, জান্নাতি সাহাবীদের নাম।

জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত সাহাবীদের নাম

সাহাবীদের নাম

আল্লাহর হাবীব প্রিয় নবী (সাঃ) সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ। এই মহা মানবের শ্রেষ্ঠত্ব আল্লাহ দান করেছেন। মুসলিম অমুসলিম সবার চোখে তিনি এক অনুপম আদর্শ। মুসলমানদের হৃদয়ের স্পন্দন। বিশ্বের খ‌্যাতিমান লেখক মাইকেল এইচ হার্ট তার লিখিত বিখ‌্যাত বই দ‌্যা হান্ড্রেও এর মধ‌্যে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ (সাঃ)-কে পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ ব‌্যক্তি হিসাবে ঘোষণা করেন। অমুসলিম হয়েও তিনি বলেন, “পৃথিবীর সর্বোত্তম প্রভাব শালীদের তালিকায় মুহাম্মদ (সাঃ)-কে যে অগ্রাধিকার দিয়েছি তাতে অনেক পাঠক বিস্মিত হতে পারে, অনেকে প্রশ্ন উন্থাপন করতে পারে কিন্তু ইতিহাসে তিনিই হচ্ছেন একমাত্র ব‌্যক্তি যিনি ধর্মীয় ও ধর্ম নিরপেক্ষ ক্ষেত্রে সর্বোতভাবে সফল হয়েছেন”।

এ্রই মহামানবের অনুপম ব‌্যক্তিত্বের পরশে যারা ছিলেন তাঁরা এক একজন খাঁটি সোনা তৈরী হয়েছিলেন। রাসূলুল্লাহর (সাঃ) সাহাবীগণ যেন এক একটা তারকা, এক একটা হীরক খণ্ড আদর্শে অনুকরণীয়, ঈমানে অটল, চরিত্রে উজ্জল, শৌর্যে অতুলনীয়। এতখানি চরিত্রবান ছিল বলেই তো এই সাহাবীগণ প্রত‌্যেকেই ইসলামের ইতিহাসে এমন অক্ষয় কীর্তি রেখে যেতে সমর্থ হয়েছেন। তাদের সম্পর্কে আল্লাহ বলেনঃ

والسا بقون الا ولون من المها جرين والا نصار والذين تبعوهم باحسان رض الله عنهم ورضوا عنه واعد لهم جنت تجرى من تحتها الانها رخالدين فيها ابدا ذلك القوز لعظيم
“(ইসলামের) অগ্রগামী মুহাজির (প্রথম স্বদেশ পরিত‌্যাগকারী) ও আনসার (সাহায‌্যকারী) এবং সৎ কর্মে অনুসরণকারীদের উপর আল্লাহ সন্তুষ্ট, এবং তারাও তাঁর (আল্লাহর) দ্বারা পরিতৃপ্ত (যেহেতু) তিনি তাদের জন‌্য প্রস্তুত করে রেখেছেন জান্নাত (উদ‌্যান) যার নিচে প্রবাহিত নদীর ধারা যেখানে তারা বাস করবে অনন্তকাল, এবং এটাই হলো তাদের পরম প্রাপ্তি।” (আত-তাওবাহ-১০০)

সাহাবীদের উৎকর্ষতার বর্ণনায় রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ

خير الناس قرنى ثم الذين يلو نهم ثم لذين بلهم “আমার যুগের মানুষেরা হলো উত্তম, তারপরে ভলো যারা এদের পরে আসবে, তারপরে যারা পরে আসবে, (তারা তাদের পূর্ব বর্তীদের থেকে কম ভালো)” (বুখারী ও মুসলিম)

সাহাবীদের সংজ্ঞা নির্ণয়ে এবং শ্রেণী বিভাগে সামান‌্য মতভেদ থাকলেও গ্রহণযোগ‌্য মত হলোঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ)'র জীবদ্দশায় যারা ইসলাম গ্রহণ করে অল্প সময়ের জন‌্য হলেও রাসূলুল্লাহর সাথে সাক্ষাত করেছেন তারাই সাহাবী। এই সাহাবীদের সংখ‌্যা একলক্ষ চুয়াল্লিশ হাজার মতান্তরে দুই লক্ষ। সাহাবীদের মধ‌্যে উচ্চ মর্যাদার সাহাবীগণ হলেন বদর যুদ্ধে অংশ গ্রহণকারী সাহাবীগণ। এ মহান বরকতময় সাহাবীগণের নামে যাতে মুসলমানগণ তাদের সন্তানদের নামকরণ করতে পারে সে জন‌্য এখানে বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ৩৩১ জন (মুহাজির ৮৮ জন ও আনসার ২২৫ জন) বীর মুজাহিদের তালিকা নিম্নে লেখা হলো।

তার পূর্বে দুনিয়ায় জান্নাতের সুসংবাদ প্রাপ্ত দশজন “আশারায়ে মুবাশশারা” সাহাবীদের নাম লেখা হলো। সহীহ তিরমিযী শরীফে উল্লেখিত হযরত আব্দুর রহমান ইবনে আওফ (রা) হতে বর্ণিত একটি হাদীসে রয়েছে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) দশজন সাহাবীর নাম উল্লেখ পূর্বক তাঁদের জীবিত অবস্থায়ই জান্নাতের সুসংবাদ প্রদান করেছেন। তারা হলেনঃ

আশারায়ে মুবাশশারা জান্নাতের সুসংবাদ প্রাপ্ত দশজন সাহাবীর নাম

আশারায়ে মুবাশশারা জান্নাতের সুসংবাদ প্রাপ্ত দশজন সাহাবীর নামের তালিকা নিচে দেয়া হলোঃ

সংখ‌্যা পুরো নাম সংক্ষিপ্ত নাম
০১ হযরত আবু বকর সিদ্দীক (রা) আবু বকর (রা)
০২ হযরত ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা) ওমর (রা)
০৩ উছমান ইবনে আফজাল (রা) উছমান (রা)
০৪ হযরত আলী ইবনে আবী তালেব (রা) আলী (রা)
০৫ হযরত তালহা ইবনে উবায়দিল্লাহ (রা) তালহা (রা)
০৬ হযরত যুবায়ের ইবনুল আওয়াম (রা) যুবায়ের (রা)
০৭ হযরত আব্দুর রহমান ইবনে আওফ (রা) আব্দুর রহমান (রা)
০৮ হযরত সা'দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস (রা) সা'দ (রা)
০৯ হযরত সাঈদ ইবনে যায়িদ (রা) সাঈদ (রা)
১০ হযরত আবু উবায়দাহ ইবনে জাররাহ (রা) আবু উবায়দাহ (রা)

বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ৮৮ জন মুহাজির সাহাবীগণের নাম জানতে এখানে ক্লিক করুন বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ২২৫ জন আনসারী সাহাবীগণের নাম জানতে এখানে ক্লিক করুন

দৃষ্টি আকর্ষণঃ সম্মানিত ভিজিটর, ওয়েবসাইটটি ভিজিট করার জন্য আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। আমাদের একটি দল এই ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য দেওয়ার জন্য নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে। আপনি ইচ্ছা করলে এই ওয়েবসাইটে কর্মরত ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে যে কোন পরিমাণ টাকা বিকাশ-এর মাধ্যমে হদিয়া করতে পারেন। হাদিয়া দেওয়ার জন্য বিকাশ পার্সোনাল নাম্বারটি নিচে দেওয়া হলোঃ

01750101908

প্রত্যেক পিতা-মাতার জন‌্য যে বিষয়গুলো জানা প্রয়োজন

প্রত্যেক পিতা-মাতার জন‌্য যে বিষয়গুলো জানা প্রয়োজন তা বিভিন্ন পেজে আলোচনা করা হয়েছে। পেজের লিংকগুলো নিচের বাটনের মাধ্যমে দেয়া হয়েছে। আপনার পছন্দ অনুযায়ী নিচের বাটনগুলোতে ক্লিক করে পেজগুলো ভিজিট করার জন‌্য অনুরোধ করছি।

আরবী নামের প্রয়োজনীয়তা কি? বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন পিতার নামেই সন্তানের প্রকৃত পরিচয়। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন নবী রাসূলগণের পবিত্র নাম জানতে এখানে ক্লিক করুন প্রিয় রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর গুণবাচক নাম সমূহ জানতে এখানে ক্লিক করুন

আরবি, বাংলা ও ইংরেজী অক্ষর দিয়ে মেয়েদের নাম

আরবি, বাংলা ও ইংরেজী অক্ষর দিয়ে মেয়েদের নাম দেখতে আপনার পছন্দ অনুযায়ী নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

আ (ع-ا) (A) দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন ব (B) দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন গ (G) দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন হ (ح-ه) (H) দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন ই-ঈ (I-Y-E) দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আরবি, বাংলা ও ইংরেজী অক্ষর দিয়ে ছেলেদের নাম

আরবি, বাংলা ও ইংরেজী অক্ষর দিয়ে ছেলেদের নাম দেখতে আপনার পছন্দ অনুযায়ী নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

এ (ع-ا) (A-E-I) দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন আ (ا-ع) (A) দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন ব (ب) (B) দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন দ (د) (D) দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন ফ ف F দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন