ইসলামে নামের গুরুত্ব

অর্থবহ আরবী নাম, নাম ও পরিচিতি, নামের গুরুত্ব।

অর্থবহ আরবী নাম

সন্তানের সঠিক অর্থবহ আরবী নাম রাখা প্রত্যেক পিতা-মাতা ও অভিভাবকের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তাই নাম রাখার সময় বা নাম নির্বাচনের সময় দয়া করে তাড়াহুড়ো না করে সময় নিয়ে ধীরে ধীরে আরবী নাম, নামের বাংলা ও ইংরেজী বানান এবং নামের বাংলা অর্থ ভালো করে দেখে নিন। তারপর বাচ্চার নাম নির্ধারণ করুন।

ইসলামে নামের গুরুত্ব

নাম ও পরিচিতি

পরিচয়ের জন্য নামের উদ্ভব, অসংখ্য সৃষ্ট বস্তুর নামের প্রয়োজন হয়েছে সনাক্তকরণের তাগিদেই। আল্লাহ তা’আলা মানবজাতি সৃষ্টির পরিকল্পনার সূচনাতেই প্রথম মানুষের নাম করণ করেছিলেন আদম (আ)। সেই শুভ মুহূর্ত থেকে শুরু করে কিয়ামত পর্যন্ত যত মানুষ পৃথিবীতে জন্ম নেবেন প্রত্যেকের একটি সুনির্দিষ্ট নাম থাকবে। অন্যান্য সৃষ্টির নামকরণ হয় শ্রেণী ভিত্তিক, কিন্তু মানুষ এর ব্যতিক্রম। খ্যাত হোক, অখ্যাত হোক প্রত্যেক মানুষের রয়েছে স্বতন্ত্র নাম ও পরিচিতি। এটা তার বিরাট মর্যাদা ও সম্মানের পরিচায়ক। কুরআনুল কারীমে ইরশাদ হয়েছে ওয়ালাকাদ কাররামনা বনী আদামা অর্থাৎ আমি মানব জাতিকে সম্মানিত করেছি। প্রত্যেক নাম বিশেষ অর্থ এবং সেই বস্তুর বৈশিষ্টের ইঙ্গিত বহন করে। আল্লাহ মানুষের নাম দিয়েছেন আদম বা ইনসান- যা তার পরিচয় ও বৈশিষ্টের সাথে সামন্জস্যপূর্ণ।

নামের গুরুত্ব

নাম এত গুরুত্বপূর্ণ যে, আল্লাহ সর্বপ্রথম আদম (আ) কে নামই শিক্ষা দিয়েছিলেন। আল্লাহ পাক বলেনঃ “এবং তিনি (আল্লাহ) আদমকে যাবতীয় নাম শিক্ষা দিলেন; তারপর সমুদয় ফেরেশতাদের সম্মুখে পেশ করে বললেন, এগুলোর নাম বলে দাও যদি তোমরা সত্যবাদী হও। তারা বলল, আমরা তোমার পূর্ণ পবিত্রতা ঘোষণা করি-আমাদের কোন জ্ঞান নেই, কেবল মাত্র যা তুমি আমাদের কে শিক্ষা দিয়েছো। তুমিই একমাত্র প্রজ্ঞাময় ও জ্ঞানময়।”

ইসলামে নামের গুরুত্ব অপরিসীম, কিন্তু চিহ্নিতকরণ বা সনাক্ত করণই নাম করণের আসল উদ্দেশ্য নয়। বরং ইসলামী ভাবধারা সম্বলিত নামকরণই হচ্ছে ইসলামী সভ্যতা ও সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নামের মাধ্যমে একজন মানুষকে যেমন সনাক্ত করা যায়, তেমনি তার ঐতিহ্যের শেকড় ও আবিষ্কার করা যায়। নাম রাখার ব্যাপারে নবী করিম (সা) বলেছেন, “তোমরা নিজেদের সুন্দর নাম রাখবে”।

“তিনি (আল্লাহ) বললেন, হে আদম! তাদেরকে এগুলোর নাম বলে দাও। যখন সে তাদেরকে নাম বলে দিল, তিনি (আল্লাহ) বললেন, আমি কি তোমাদেরকে বলিনি যে, আকাশ মণ্ডল ও পৃথিবীর অদৃশ্য বস্তু সম্বন্ধে নিশ্চিতভাবে আমি অবহিত এবং তোমরা যা ব্যক্ত করো বা গোপন রাখো তাও আমি জানি।” (সূরা আল বাকারাঃ ৩১-৩৩)

এভাবে নাম বলে নিষ্পাপ, পবিত্র ফেরেশতাদের ওপর আদমের শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠিত হলো। আল্লাহ পাক কুরআন কারীমে বিভিন্ন নবী রাসুলকে তাদের নাম নিয়ে ডাক দিয়েছেন, আল্লাহ তার প্রিয়নবী মুহাম্মদ (সা) এর ওপর যে ওহী নাযীল করেছিলেন তার প্রথম কথা পড়ো এবং আল্লাহর নাম। সেখানেও আল্লাহ পাক নামের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

মহান আল্লাহ বলেনঃ “পাঠ করো তোমার প্রতিপালকের নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন।” (আল-আলাক্বঃ ১) কিয়ামতের ময়দানে সব মানুষকে আল্লাহ একত্রিত করবেন শেষ বিচারের জন্য। ইবনে ‘ওমর (রাঃ)’ বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (সা) বলেনঃ “কিয়ামতের দিনে আল্লাহ প্রথম ও শেষ (দলের) সকলকে একত্রিত করবেন তারপর সেদিন প্রত্যেক খেয়ানতকারী ব্যক্তির জন্য একটা করে পতাকা উত্তোলন করবেন। তারপর বলা হবে- এটা অমুকের পুত্র অমুকের কৃত খেয়ানত। (বুখারী, মুসলিম)

রাসূলুল্লাহ (সা) আরও বলেনঃ আবু দারদা (রা) বর্ণনা করেন রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন- কিয়ামতের দিনে তোমাদেরকে ডাকা হবে তোমাদের নামে এবং তোমাদের পিতাদের নামে তাই তোমাদের নামগুলো সুন্দর রাখো। (আবূ দাউদ) ওপরে বর্ণিত হাদীস ও কুলআন থেকে প্রমাণিত হয় যে, নামকরণ দ্বারা মানুষের পরিচয়, সনাক্তকরণ ছাড়াও ইহকাল ও পরকালে নাম একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, যে বর্তমান যুগের মুসলমানগণ নাম এবং নামকরণের প্রতি গুরুত্বই দান করে না। অথচ নাম মানুষের পরিচয় বা সনাক্তকরণের বহিঃপ্রকাশ, আবার নামের মধ্যেই মানুষের অন্তর্নিহিত রুচি মানসিকতা কোন নতুন মানুষ এলেই তার নাম জিজ্ঞাসা করতেন। পছন্দ হলে সন্তুষ্ট হতেন, অপছন্দ হলে তা পরিবর্তন করতেন।

কাজেই সন্তানের নামকরণ যেমন উত্তম হতে হবে, তেমনি তা হতে হবে ইসলামী ভাবধারায় পরিপূর্ণ, যাতে নামের দ্বারাই বুঝা যায় যে, লোকটি মুসলমান।

এ দিয়ে ছেলেদের নাম

এ (ع-ا) (A-E-I) দিয়ে ছেলেদের ইসলামী নাম।

A দিয়ে ছেলের নাম

আ দিয়ে ছেলেদের নাম

আ (ا-ع) (A) দিয়ে ছেলেদের আরবী নাম।

আ দিয়ে ছেলের নাম

ব দিয়ে ছেলেদের নাম

ব (ب) (B) দিয়ে ছেলেদের আরবী নাম।

B দিয়ে ছেলের নাম

দ দিয়ে ছেলেদের নাম

দ (د) (D) দিয়ে ছেলেদের আরবী নাম।

দ দিয়ে ছেলের নাম

ফ দিয়ে ছেলেদের নাম

ফ ف F দিয়ে ছেলেদের আরবী নাম।

ফ দিয়ে ছেলের নাম

গ দিয়ে ছেলেদের নাম

গ (غ) (G) দিয়ে ছেলেদের আরবী নাম।

গ দিয়ে ছেলের নাম

ই-ঈ দিয়ে ছেলেদের নাম

ই-ঈ (ى-ا-ع) (I-Y-E) দিয়ে ছেলেদের আরবী নাম।

ই-ঈ দিয়ে ছেলের নাম

জ দিয়ে ছেলেদের নাম

জ (ج) (J) অক্ষর দ্বারা ছেলেদের আরবী নাম।

জ দিয়ে ছেলের নাম

খ দিয়ে ছেলেদের নাম

খ (خ) (Kha) দিয়ে ছেলেদের আরবী নাম।

খ দিয়ে ছেলের নাম

ল দিয়ে ছেলেদের নাম

ল ل L দিয়ে ছেলেদের আরবী নাম।

ল দিয়ে ছেলের নাম

ম দিয়ে ছেলেদের নাম

ম (م) (M) অক্ষর দিয়ে ছেলেদের আরবী নাম।

ম দিয়ে ছেলের নাম

ন দিয়ে ছেলেদের নাম

ন (ن) (N) দিয়ে ছেলেদের আরবী নাম।

ন দিয়ে ছেলের নাম

উ দিয়ে ছেলেদের নাম

উ (ا-ع) (O-U) দিয়ে ছেলেদের আরবী নাম।

উ দিয়ে ছেলের নাম

অ দিয়ে ছেলেদের নাম

অ (و) (O) দিয়ে ছেলেদের আরবী নাম।

অ দিয়ে ছেলের নাম

ক দিয়ে ছেলেদের নাম

ক (ك-ق) (Q-K) দিয়ে ছেলেদের আরবী নাম।

ক দিয়ে ছেলের নাম

দৃষ্টি আকর্ষণঃ সম্মানিত ভিজিটর, ওয়েবসাইটটি ভিজিট করার জন্য আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। আমাদের একটি দল এই ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য দেওয়ার জন্য নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে। আপনি ইচ্ছা করলে এই ওয়েবসাইটে কর্মরত ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে যে কোন পরিমাণ টাকা বিকাশ-এর মাধ্যমে হদিয়া করতে পারেন। হাদিয়া দেওয়ার জন্য বিকাশ পার্সোনাল নাম্বারটি নিচে দেওয়া হলোঃ

01750101908

র দিয়ে ছেলেদের নাম

র ر R দিয়ে ছেলেদের আরবী নাম।

র দিয়ে ছেলের নাম

শ দিয়ে ছেলেদের নাম

শ (ش) (S) অক্ষর দ্বারা ছেলেদের আরবী নাম।

শ দিয়ে ছেলের নাম

ছ-স দিয়ে ছেলেদের নাম

ছ-স (ث-ص-س) (S) দিয়ে ছেলেদের আরবী নাম।

ছ-স দিয়ে ছেলের নাম

ত দিয়ে ছেলেদের নাম

ত (ط-ت) (T) দিয়ে ছেলেদের আরবী নাম।

ত দিয়ে ছেলের নাম

ও দিয়ে ছেলেদের নাম

ও (و) (W) দিয়ে ছেলেদের আরবী নাম।

ও দিয়ে ছেলের নাম

য দিয়ে ছেলেদের নাম

য (ز-ذ) (Z-J) দিয়ে ছেলেদের আরবী নাম।

য দিয়ে ছেলের নাম

আ দিয়ে মেয়েদের নাম

আ (ع-ا) (A) দিয়ে মেয়েদের আরবী নাম।

আ দিয়ে মেয়ের নাম

ব দিয়ে মেয়েদের নাম

ব (B) দিয়ে মেয়েদের আরবী নাম।

ব দিয়ে মেয়ের নাম

গ দিয়ে মেয়েদের নাম

গ (G) দিয়ে মেয়েদের আরবী নাম।

গ দিয়ে মেয়ের নাম

হ দিয়ে মেয়েদের নাম

হ (ح-ه) (H) অক্ষর দিয়ে মেয়েদের আরবী নাম।

হ দিয়ে মেয়ের নাম

ই-ঈ দিয়ে মেয়েদের নাম

ই-ঈ (I-Y-E) দিয়ে মেয়েদের আরবী নাম।

ই-ঈ দিয়ে মেয়ের নাম

খ দিয়ে মেয়েদের নাম

খ (Kha) দিয়ে মেয়েদের আরবী নাম।

খ দিয়ে মেয়ের নাম

ক দিয়ে মেয়েদের নাম

ক (Q-K) দিয়ে মেয়েদের আরবী নাম।

ক দিয়ে মেয়ের নাম

ছ-শ-স দিয়ে মেয়েদের নাম

ছ-শ-স ث-ش-س S দিয়ে মেয়েদের আরবী নাম।

ছ-শ-স দিয়ে মেয়ের নাম

জ-য দিয়ে মেয়েদের নাম

জ-য (ج-ض-ظ-ز-ذ) Z-J অক্ষর দিয়ে মেয়েদের আরবী নাম।

জ-য দিয়ে মেয়ের নাম

উ দিয়ে মেয়েদের নাম

উ (U) অক্ষর দিয়ে মেয়েদের আরবী নাম।

উ দিয়ে মেয়ের নাম

ও দিয়ে মেয়েদের নাম

ও (W) অক্ষর দিয়ে মেয়েদের আরবী নাম।

ও দিয়ে মেয়ের নাম

ভাল নাম

ভাল নাম রাখা পিতার ওপর সন্তানের হক।

ভাল নাম রাখা বিস্তারিত

আরবী নামের প্রয়োজনীয়তা

মুসলমানদের জন্য আরবী নামের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সকলের ধারণা থাকা উচিত। আরবি নামের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

আরবী নামের প্রয়োজনীয়তা

পিতার নামে পরিচয়

পিতার নামেই সন্তানের প্রকৃত পরিচয়। আমরা অনেকেই এ ব্যাপারে সঠিক ধারণা রাখি না। বিশেষ করে মেয়েদের ক্ষেত্রে নামের সাথে পিতার নাম হবে নাকি স্বামীর নাম হবে এ ব্যাপারে উদাসীন।

পিতার নামে পরিচয়