বিভিন্ন উৎসবের সাজ

আমাদের দেশে আমরা নানা রকম উৎসব পালন করে থাকি। বিভিন্ন উৎসবের সাজ বিভিন্ন রকম। এখানে বিভিন্ন উৎসবের বিভিন্ন সাজ নিয়ে আলাদা আলাদা করে আলোচনা করা হলো। থাকছে বৈশাখী সাজ, ঈদের সাজু গুজু ও ভালোবাসা দিবসের সাজ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা।

বৈশাখী সাজ

"এসো হে বৈশাখ এসো এসো।" নতুন বছরের আগমনে নতুন বছরকে বরণ করবো নতুন সাজে। নাচবো, গাইবো, সাজবো, সাজাবো, আনন্দ উল্লাসে ভরাবো হৃদয়। আর খাবো মাটির সানকিতে ইলিশ পান্তা, শুটকি ভর্তা আর কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ। এই পান্তা ইলিশের কথা ভাবতেই জিবে আসে পানি। সেই প্রতিক্ষায় আমরা বাঙালিরা একটি বছর অপেক্ষা করি। ১ বৈশাখের সেই আনন্দঘন দিনটি আর কত দেরি? না আর দেরী নয়। বৈশাখের আয়োজনে তাই শুরু হয়েছে সাজ সাজ রব। কে কেমন সাজবো কিভাবে সাজবো সেই ভাবনাগুলো নিয়ে আমার আজকের এই আয়োজন "বৈশাখী সাজ"। বৈশাখী সাজের মধ্যে আমরা পোশাকে আশাকে এ পর্যন্ত যে সব রঙের ব্যবহার লক্ষ্য করে এসেছি তা হলো লাল ও সাদা। সাধারণত বৈশাখী সাজে মেয়েরা পড়ে লাল পাড়ে হলুদ শাড়ী। আজ কাল সাদা সুতী শাড়ীতে নানা রকমের ব্লক এবং কারুকাজ দেখা যায়। সেই সাথে লাল সাদা রিনিক ঝিনিক কাঁচের চুড়ি, কাজলে আঁকা মায়াবী দু'চোখ। লাল কুমকুমের টিপ, লাল টুকটুকে লিপষ্টিক। ঝড়ো হাওয়ায় খুলে দেওয়া বনলতার মতো চুল অথবা খোঁপাতে গোঁজা ফুল। আজকাল বৈশাখী শাড়ীর বাহারে লাল সাদার বাইরেও দেখা যায় নানা রঙের ব্যবহার। নতুন বছরকে যেন নানা রঙে রঙিন করবার একটা চমক লাগানোর প্রয়াস।

বিভিন্ন উৎসবের সাজ

বৈশাখী সাজে ছেলেরা সাধরণত পরে থাকে সাদা পাঞ্জাবী, চুড়িদার এবং গলায় ঝোলানো থাকে লাল সোনালী ওড়না। কেউবা পরে লাল অথবা খয়েরী রঙের পাঞ্জাবী, চুড়িদার, পায়ে চামড়ার চপ্পল। ছেলেদের পাঞ্জাবীতেও এসেছে নানা ধরনের ব্লকের ব্যবহার এবং কারুকাজ। আজকাল জিন্সের সাথে ফতুয়াও পড়ছে অনেকে। তারপর খুব ভোরে সাজুগুজু করে সবাই মিলে যায় রমনার বটমূলে। বৈশাখের যত আনন্দ আয়োজন নানা রঙের মানুষের মিলনমেলা সে তো রমনার বটমূল। আসুন তবে জেনে নেই লাখো কোটি বাঙ্গালীর সাথে আমরা কেমন সাজে, কে কেমনভাবে কাটাবেন বৈশাখের এই নতুন দিনটি।

বৈশাখে সবারই টার্গেট থাকে ভোরে রমনা বটমূলে যাওয়া। তাই সেদিকে খেয়াল রেখে আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া উচিত। যেমনঃ কোন পোষাক পরা হবে তা আগে থেকেই আয়রন করে হ্যাঙ্গারে ঝুলিয়ে রাখা উচিত। যাতে করে সকালে তাড়াহুড়া করে জামাকাপড় খুঁজে সময় নষ্ট করতে না হয়। মেয়েরা শাড়ীর সাথে কোন গয়না বা চুড়ি পরবে আগেই ম্যাচিং করে গুছিয়ে রাখা দরকার। যেহেতু ভোরে উঠতে হবে সে জন্য আগের রাতের পর্যাপ্ত ঘুম খুবই প্রয়োজনীয়। তা নইলে ঘুম কম হলে চোখের নিচে কালি দেখা যাবে। চেহারায় ফুটে উঠবে ক্লান্তির ছাপ। বৈশাখের এই বিশেষ দিনে যা মোটেও কাম্য নয়। তাই গোছগাছ আগে থেকেই সেরে রাত ১০টার মধ্যে ঘুমিয়ে পড়া উচিত।

কিভাবে সাজবেন? গরমের দিনে হলে সাজটা সাবধানে করতে হবে। ফাইন্ডেশন মুখে লাগালে গরমের তাপে তা গলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আর যেহেতু দিনের সাজ তাই সাজটা একটু হালকা হওয়াই বাঞ্চনীয়। প্রথমে মুখ হাত পরিষ্কার করে ফেইস ওয়াস দিয়ে ধুয়ে টাওয়াল বা নরম কাপড় দিয়ে আলতো করে চেপে চেপে পানি মুছে নিবেন। এবার আপনার পছন্দের ময়েশ্চারাইজার দিয়ে ধীরে ধীরে মোলায়েম হাতে সারা মুখে গলায় হাতে মেখে নিন। এবার ভাল কোন ফেইস পাউডার মুখে সুন্দর করে লাগান। গালের উঁচু দুই পাশে ব্লাশন লাগান, সেটিও হালকা হতে হবে। এবার আপনার পছন্দ মতো চোখে হালকা আইস্যাডো লাগান। এরপর কাজল বা আইলাইনার লাগাতে পারেন। কপালের টিপটা শাড়ীর সাথে ম্যাচিং করে লাগাতে পারেন। কিংবা কুমকুম দিয়ে আপনার মত করে আঁকতে পারেন। যদি বাইরে সারাদিনের প্রোগ্রাম থাকে তবে হাতব্যাগে পাউডার, ছোট আয়না, চিরুনী, এবং লিপস্টিক নিতে ভুলবেন না। রোদে ঘেমে গেলে টিস্যু দিয়ে হালকা করে চেপে ঘাম ‍মুছে একটু ফাঁকে চট করে মুখে ফেইস পাউডার বুলিয়ে নিতে পারেন। ইলিশ, পান্তা খেয়ে লিপস্টিক নষ্ট হবার সম্ভাবনা খুব বেশী। তাই বৈশাখের সাজে গ্লোসি লিপস্টিক ব্যবহার না করাই ভালো। ম্যাট অথবা সেমি ম্যাট লিপস্টিক লাগাবেন। আর সেটাও যদি একটু মুছে যায় পান্তা লেগে, তবে আপনার ব্যাগে লিপস্টিক তো আছেই। সুতরাং নো চিন্তা ডু ফুর্তি।

ছেলেদের সাজের কথা আর বিশেষ কি বলবো। মুখ পরিষ্কার করে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে খুব হালকা করে পাউডারের পাফ বুলিয়ে নিতে পারেন। এর বেশী কিছু নয়।

ভোরে উঠে যারা গোসল করতে পারবেন না তারা অবশ্যই আগের দিন চুলটাকে ভালভাবে শ্যাম্পু করে কন্ডিশনার লাগাবেন। তারপর সকালে যে যার পছন্দ মতো হেয়ারস্টাইল করে বেড়িয়ে পরবেন ফুরফুরে মন নিয়ে। তবে মনে রাখতে হবে বৈশাখের সাজ বিশেষ করে সঠিক ম্যাচিং হওয়া চাই। বাহারি রঙের সাজও মন্দ লাগবে না। চলুন তবে নতুন সাজে নতুন বছরকে বরণ করে নিই। মেতে রই গালে, গল্পে আর কবিতায়।

ঈদের সাজু গুজু

ঈদ নিয়ে এই যে কাব্যের চেষ্টা তা কিন্তু মিছে নয়। রোজার ঈদ, রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশীর ঈদ... সবার মনেই কিন্তু রোজার শুরুতে কেমন একটা ঈদের ফুর্তি ভরা আমেজ কাজ করে। ঈদে কে কোথায় বেড়াবে, কেমন পোষাক পরবে, কেমন করে সেজেগুজে সবাইকে তাক লাগিয়ে দেবে- এই চিন্তার অন্ত নেই। মনে পড়ে ছেটবেলায় নতুন কাপড় কেনা হলে লুকিয়ে রাখতাম সযত্নে। যেন কোন পড়শী দেখতে না পায়। তখন সেই ছোট্ট মনে এমন একটা ধারণা ছিল যে, ঈদের আগে কেউ নতুন পোষাক দেখলে যেন তা পুরনো হয়ে যায়। কিংবা সুন্দর পোষাকটা কউ দেখে যদি নকল করে ফেলে এইসব ভয় আর কি। এখনও কিন্তু বড় হয়ে সেই বোধটা মনের মধ্যে একটু একটু কাজ করে সবার। ইচ্ছেটা এমন যে, আমার পোশাক এবং ঈদের সাজটা হবে অসাধারণ, সবার থেকে আলাদা। যাকে বলে তাক লাগানো। ঈদে সেই তাক লাগানো সাজ কেমন করে সাজতে হবে তার কিছু গবেষণা, আলাপ আলোচা এবং কিছু টিপস্‌ নিয়ে আমাদের এবারের এই আয়োজন- ঈদের সাজ।

ঈদের কেনাকাটা

ঈদের সাজ সাজতে গেলে প্রথমেই আসে ঈদের কেনাকাটা প্রসঙ্গ। তাই প্রথমেই আসা যাক কেনাকাটা প্রসঙ্গে। ঈদের কেনাকাটা শুরু হয় সাধারণত রোজার শুরুতেই। যারা বুদ্ধিমান তারা অবশ্যই ঈদের কেনাকাটার পর্বটি আগেভাগেই সেরে নেবেন। কারণ রোজার শেষের দিকে ভীড়ের চাপে মানুষের নাজেহাল অবস্থা। অনেক পছন্দের জিনিটি যাচাই বাছাই করার সুযোগটিও থাকে না। বা সুযোগ থাকে না দর কষাকষির। যারা দর কষাকষি এড়াতে চান তারা অবশ্যই ফিক্সড প্রাইস লেখা দোকানে যাবেন। সবচেয়ে ভালো কোন এক্সক্লুসিভ পোষাক কিনতে হলে আপনাকে বড় কোন দোকানে যেতে হবে। যদিও বড় দোকানে দাম একটু বেশি পড়বে তবুও আপনার কঙ্খিত সলিড জিনিসটি পাবেন আশা করা যায়। যারা বাজেট করে কেনাকাটা করতে চান, তারা অপেক্ষাকৃত সস্তায় পাওয়া যায় এমন কোন দোকানে যেতে পারেন। একটা প্রচলিত প্রবাদ আছে- আপ পছন্দ খানা পর পছন্দ পরনা। কিন্তু যে পোশাকটি পরবো তা অবশ্যই পছন্দের হতে হবে। যদিও অন্যের পছন্দের মূল্য আমাদের অনেক সময় দিতে হয়। সে যােই হোক স্বামী যদি স্ত্রীকে, প্রেমিক যদি প্রেমিকাকে, ছেলে মাকে, বউ শাশুড়ীকে পছন্দ করে ঈদে কোন শাড়ী বা পোষাক কিনে দেন, যদি সেটা পছন্দনীয় নাও হয় তথাপি মুখ ফুটে অপছন্দের কথাটা বলা অনেক সময় সঠিক নাও হতে পারে, এতে করে মনমালিন্যের সৃষ্টি হতে পারে। তাই একেটি ছোট্ট পরামর্শ হলো, যাকে ঈদের পোশাক কিনে দেবেন, হয় তাকে সঙ্গে নিয়ে কিনবেন, নয়তো তার পছন্দের ধরণ বা প্রয়োজনটুকু জেনে নিয়ে কিনুন। ঈদের দিন একটি আনন্দের দিন, সেই দিনের পোশাক সামগ্রী যদি মনোপুত না হয় তবে ঈদটাই মাটি। পোশাক কেনার আগে একটা কথা অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে, তা হলো আপনি যা কিনছেন তা শুধু পছন্দ হলেই হবে না সেটা আপনাকে কতটুকু মানাবে যেমন- আপনার গায়ের রঙ, ওজন, উচ্চতা, সামাজিকতা এবং আপনার বয়সের সঙ্গে কতটুকু মানানসই সে দিকটা বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে। প্রয়োজনে দোকানের ট্রায়েল রুমে গিয়ে পরে দেখতে পারেন কিংবা দোকানের আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আপনার পছন্দের পোশাকটি গায়ের উপর সাজেয়ে দেকে নিতে পারেন। আমরা যখন মুরুব্বীদের জন্য শাড়ী বা পোশাক কিনতে যাই তখন মাথায় আসে সাদা, অফহোয়াইট কিংবা ম্যাটমেটে কোন রঙের ধারণা। আজ বিংশ শতাব্দীর যুগে বয়স্কদের জন্য অন্য রঙ এ কনসেপ্ট পুুরোপুরি পাল্টে গেছে। আজ ছেলে যুবা সবারই মন শতেক রঙে রঙিন। বয়স্করা রঙিন কাপড় পরলে কিন্তু বেশ ভালই লাগে। মনে হয় তারা যেন তাদের যৌবনকে নতুন করে ফিরে পেয়েছেন। বিদেশে বুড়ো বুড়িরা কিন্তু রঙিন জমকালো পোশাক পরে অভ্যস্ত, তাহলে আমাদের বাবা-মা, শশুড়-শাশুড়ী, দাদা-দাদী, নানা-নানীরা কেনইবা রঙিন কাপড় পড়ে ঈদটাকে আরো রঙিন করে তুলবেন না?

পায়ের সাজে জুতা

ঈদের সাজসজ্জায় সবই তো হলো। কিন্তু স্যাণ্ডেলের কথা যেন ভুলবেন না। পোশাকের সাথে ম্যাচিং করে জুতা কেনা চাই। আর শুধু পছন্দসই হলেই হবে না, জুতা হতে হবে আরামপ্রদ। স্যাণ্ডেল বা জুতা পায়ে দিয়ে হাঁটলেই যদি ফোস্কা পড়ে যায় তবে এর চেয়ে যন্ত্রণাদায়ক আর কিছু নেই। তাই দোকানে দিয়ে তাড়াহুড়ো করে জুতো কিনবেন না যেন। ভাল করে দেখে শুনে এবং পায়ে দিয়ে দেখে নেবেন জুতা কমফোরটেবল কি না। জুতো যদি আরামপ্রদ না হয় তবে ঈদের ঘুরোঘুরি আর বেড়ানোটাই অস্বস্তিকর হয়ে উঠতে পারে। ছেলেরা জুতা কেনার সাথে নতুন মোজা কিনতে ভুলবেন না যেন। কারণ নতুন জুতোয় নতুন মোজাই মানানসই। ঈদের কেনাকাটায় যেমন নতুন জুতা চাই, তেমনি নতুন অন্তর্বাস কিনতেও ভুলবেন না যেন। ঈদের সব নতুনের সাথে পুরাতন অন্তর্বাস না পরাই ভাল।

অন্তর্বাস

ঈদে নতুন কাপড়ের সাথে পুরাতন অন্তর্বাস না পড়াই ভাল। নিজের অন্তর্বাস নিজেই কিনুন, পোশাকের সাথে রঙ মিলিয়ে। মেয়েরা অন্তর্বাস কেনার সময় দোকানের ট্রয়েল রুমে অবশ্যই ট্রায়াল দিয়ে নেবেন। আর যেটি আরামপ্রদ সেটিই নিবেন। ঈদে অনেক মহিলাই পোশোকের সাথে ম্যাচিং করে গয়না কিনে থাকেন। গয়না বলতে আমরা সাধারণত সোনার গয়নাকেই বুঝি, কিন্তু না। গয়না শুধু সোনার না, রূপা, পিতল, স্টিল, কাঁচ পুঁতি, ঝিনুক, মম, পাথর, সূতা এমনকি মাটি দিয়ে তৈরি হয়ে থকে। যার যার সামর্থ বা পছন্দ অনুযায়ী আপনারা এইসব গয়না কিনতে পারেন। তবে সোনার গয়না বা দামী পোশাক কেনার আগে একটা অনুরোধ স্বামী বা প্রেমিকের পকেটের প্রতি একটু সদয় হলে ভলো হয়। তা না হলে দেখা যাবে স্ত্রী বা প্রেমিকার সোনার গয়না বা দামী পোশাক কিনতে যেয়ে বেচারার ঈদের আনন্দটুকু নিরানন্দে পর্যবসিত হয়েছে। মনে রাখতে হবে ঈদ মানে একার আনন্দ নয়, ঈদ মানে আনন্দকে ভাগাভাগি করে নেয়া। লক্ষ রাখতে হবে এই আনন্দ থেকে কউ যেন বঞ্চিত না হয়। এমনকি বাড়ির কাজের লোকের চোখে মুখেও যেন ইদের খুশি উপচে পড়ে। সে বিষয়টা যেন আমরা ভুলে না যাই।

ভালবাসা দিবসের সাজ

ভালবাসা দিবসে ভালবাসার রঙে রঙিন হতে কে না চায়। তাই ভালবাসা দিবসে পড়ুন উজ্জ্বল রঙের পোষাক, সাজুন আপনার ভালবাসার মানুষের পছন্দ অনুযায়ী সাজে। চুল সাজাতে পারেন পছন্দের ফুলে। হাতে জড়িয়ে রাখতে পারেন বেলী, রজনীগন্ধা অথবা বকুল ফুলের মালা। খোঁপাতে গোলাপ, বেলী যে কোন ফুল। অন্য কোন কৃত্রিম সুগন্ধি ছাড়াও প্রকৃতির সুগন্ধে সুবাসিত হয়ে উঠুন। ভরিয়ে তুলুন নিজের ও প্রিয়জনের দেহ মন ফুলের সুবাসে। মোহিত করুন আপনার ভালবাসার মানুষকে। ভালবাসা দিবসে ভালবাসা সবার জন্য। ছেলে বুড়ো নেই কোন ভেদাভেদ। পৌড়ত্বে এসেও আপনি ভলবাসা দিবসে যৌবনের সাজ পোষাকে সাজতে পাড়েন রঙিন হয়ে। রাঙিয়ে তুলতে পারেন আপনার এবং আপনার ভালবাসার মানুষের হৃদয়। তাতে কোন বাধা নেই।

রূপচর্চা, আত্নবিশ্বাস, আচার-ব্যবহার, ব্যক্তিত্ব

সৌন্দর্যের পূর্ণ প্রকাশ ঘটাতে হলে সঠিক সামঞ্জস্যের প্রয়োজন। এই সামঞ্জস্যের প্রথম পর্ব হচ্ছে সামঞ্জস্যপূর্ণ শারিরীক গড়ন, এর পর একে একে আসে যেসব পর্বের কথা সেগুলো হলো- ত্বকের উজ্জ্বলতা, নিঁখুত মেকআপ, মানানসই হেয়ার স্টাইল এবং সঠিক রঙের রুচিশীল সাজ পোশাক ও অলংকার। আর এসব বিস্তারিত পড়তে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

রূপচর্চা নিয়ে বিস্তারিত এখানে

অঙ্গভূষণে, সাজসজ্জায়, কেশশোভায় ফুল।

ফুল কি শুধুই দেখার? তার সুবাস নেওয়ার? ফুলও কি প্রেমের বার্তা? পিরিতির বন্ধন, প্রাণ তাক করা শর নয়? যুগে যুগে ফুল যুগান্তর এনেছে অঙ্গভূষণে, সাজসজ্জায়, কেশশোভায়। আর এসব বিস্তারিত পড়তে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

কেশশোভায় ফুল নিয়ে বিস্তারিত এখানে

রূপচর্চায় ফুলের ব্যবহার

ফুলের সুবাস যেমন মন মাতায়, খোলা চুলে, বেণীতে খোঁপায় ফুলের সাজ আপনার সৌন্দর্যে এক অনন্য মাত্রা যোগ করবে। এছাড়া ফুলের রস নিরাময় করে শরীরের অভ্যন্তরীণ সমস্যা। আর এসব বিস্তারিত পড়তে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

রূপচর্চায় ফুল নিয়ে বিস্তারিত এখানে

ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা ফুল দিয়ে সমাধান

ত্বকের বিভন্ন সমস্যা যেমন বয়ঃসন্ধির একটি সমস্যা তেমনই তৈলাক্ত ত্বকের অধিকারিদেরও। এর মধ্যে ব্রণ একটি বড় সমস্যা। আপনার ব্রণ নির্মূল করতে সহায়ক হবে যে পদ্ধতি সেটি হলো মুলতানি মাটি, ৫টি পলাশ ও ২টি লেবু ফুল বাটা। আর এসব বিস্তারিত পড়তে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

ত্বকের সমস‌্যায় ফুল নিয়ে বিস্তারিত এখানে