নবজাতকের খাবার - মায়ের বুকের দুধ

নবজাতকের খাবার - মায়ের বুকের দুধ। নবজাতক শিশুকে তার মায়ের বুকের দুধ কেন খাওয়াবেন? শিশুকে দুধ খাওয়ানোর নিয়ম কি? শিশুকে দুধ খাওয়ানোর প্রয়োজনীয়তা কি? নবজাতকের খাবার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে এখানে।

নবজাতক শিশুকে তার মায়ের বুকের দুধ খাওয়ান

নবজাতক শিশু এই পৃথিবীতে আসার পর পরই তাকে সর্বপ্রথমে মায়ের বুকের দুধ পান করাতে হবে। মায়ের বুকের দুধের বিকল্প আর অন‌্য কিছু নেই। অন্তত পক্ষে ১৫০ দিন পর্যন্ত মায়ের বুকের দুধ পান করিয়ে রাখতে হবে। এরপর আস্তে আস্তে কিছুটা হালকা খাবার খাওয়ানো যেতে পারে। কিন্তু মায়ের বুকের দুধের উপর প্রতিটি শিশুর আছে জন্মগত অধিকার। মায়ের বুকের দুধ শিশুদের জন‌্য খুবই উপকারী।

IMAGENAME

আমাদের পবিত্র কোরআন শরীফে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন শিশুদেরকে ২ বছর ৬ মাস পর্যন্ত মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানোর জন‌্য নিয়ম করে দিয়েছেন। শিশুদের শারীরিক ও মানসেক ক্রমবিকাশের জন‌্য যে খাবারের দরকার তা একমাত্র মায়ের বুকের দুধের মধ‌্যেই নিহিত। এর কোন বিকল্প পদ্ধতি নেই।

এই যুগের অনেক মহিলারা তাদের শরীরের গঠন ঠিক রাখার জন‌্য শিশুদেরকে বুকের দুধ পান না করিয়ে বিভিন্ন পদ্ধতিতে দুধ তৈরি করে অথবা বাজারের দুধ এনে পান করিয়ে থাকে। এটা শিশুদের জন‌্য খুবই ক্ষতিকর। যে মহিলারা এই কাজটা করে থাকেন তারা অবশ‌্যই বিরাট একটা ভুল কাজ করে থাকে। বিভিন্ন পদ্ধতিতে দুধ পান করে শিশুরা নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। আর যদি মায়ের বুকের দুধ পান করে তাহলে সেই শিশুর বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা একেবারেই কমে যায় বা থাকে না। আর যদি কোন ক্রমে অসুস্থ হয়েই যায় তাহলে সামান‌্য ঔষধ খাওয়ানোর পর পরই তা সেরে যায়।

আজকাল আধুনিক যুগের অনেক কম শিক্ষিত মহিলারা মনে করেন যে, শিশুদেরকে বেশি বেশি বুকের দুধ পান করালে মায়ের বুকের দুধ কমে যায়। এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। একজন মা যত বেশি শিশুকে বুকের দুধ পান করাবে তত বেশি বুকের দুধ বাড়বে। শিশুরা প্রথম প্রথম অর্থাৎ ১৫০ দিন পর্যন্ত যতবার দুধ পান করতে চাবে ঠিক ততবার তাকে দুধ পান করাবেন। কোন কারণ বশত যদি কোন মহিলার বুকের দুধ কমে যায় তাহলে অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিতে পারেন।

শিশুদেরকে দুধ পান করাবার কোন সময় বা নিয়ম বাধা নেই। যখনই শিশু কান্নাকাটি করবে তখনই তাকে দুধ খাওয়াতে হবে। শিশুকে বেশিরভাগ দুধ পান করাবেন বসে বা শোয়া অবস্থায়। শিশুকে দুধ পান করানোর সময় খেয়াল রাখবেন যে, চার থেকে পাঁচবার দুধের বোটা শিশুর মুখে লাগাবেন, তাহলে শিশু আস্তে আস্তে মুখ ভালভাবে খুলবে। যখন ভালভাবে মুখ খুলবে ঠিক তখনই দুধের বোটা শিশুর মুখে ঢুকিয়ে দিবেন। খেয়াল রাখবেন যাতে দুধের বোটা ভালভাবে শিশুর মুখে ঢুকে। যদি মায়ের দুধের বোটা ভালভাবে শিশুর মুখে ঢুকে তাহলে শিশু ভালভাবে দুধ পান করতে পারবে।

শিশুকে দুধ খাওয়ানোর নিয়ম

একটি স্তন কিছুক্ষণ পান করানোর পর অন‌্যটা পান করতে দিবেন। এভাবে পুনরায় আবার পূর্বেরটা দিবেন। এই নিয়মে বুকের দুধ পান করালে একের পর এক জমানো দুধ সবটুকু খেতে পারে।

এতে তার পেট ভর্তি হবে। শিশু টেনে খেতে দুধ জমানো রাখবেন না। দুধ জমানো রেখে দেয়ার কারণে দুধ উৎপাদন কমে যেতে পারে। এটা বিশেষজ্ঞদের পরীক্ষীত সত‌্য। তাই যতই দুধ খাওয়াবেন ততই দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।

বুকের দুধ কম খেলে শিশুর পান উপযোগী দুধ এবং অন‌্য খাবার খাওয়ানোর জন‌্যও চেষ্টা করতে হবে। যে শিশু বুকের দুধ কম পায় অর্থাৎ মায়ের স্তনে দুধ কম আসে ঐ মায়ের দুধ বৃদ্ধির জন‌্য ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে। শিশুকে অন‌্য খাবার খাওয়ানোর জন‌্যও অভিজ্ঞ ডাক্তার হতে পরামর্শ নেয়া যাবে। গরু-ছাগলের দুধ শিশুর জন‌্য অতি উত্তম।

শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানোর প্রয়োজনীয়তা

মা ও শিশুর পক্ষে বুকের দুধ খাওয়ানো ও খাওয়ার অবশ‌্যই প্রয়োজন আছে। প্রত‌্যেক মায়েরই প্রথম কয়েকমাস শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াবার দৃঢ় সংকল্প থাকা বাঞ্চনীয়, কখনও কোন মায়ের এ ব‌্যাপারে দ্বিধা থাকা উচিত নয়। বুকের দুধ ব‌্যবহারে মা ও শিশু দু'জনেরই মানসিক তৃপ্তি ঘটে। মায়ের বুকের দুধ খেয়ে কচি শিশুর মনে নিরাপত্তা বোধ আসে এবং মায়ের সঙ্গে তার নৈকট‌্য ঘনিষ্ঠ হয়, কৃত্রিম পদ্ধতিতে দুধ খাওয়ানোর মাধ‌্যমে তা কখনই হয় না।

মায়ের পক্ষে বুকের দুধ খাওয়ানো কম ঝঞ্ঝাটের, বুকের দুধে কোন জীবাণু থাকে না, তা সবসময় ঊষ্ণ এবং কান্নারত ক্ষুধার্ত শিশুকে খাওয়ানোর জন‌্য সদা প্রস্তুত থাকে। সেজন‌্য ছোটাছুটি করে বোতল ও পানি ফোটাবার, দুধ তৈরি করার এবং তারপর তাকে প্রয়োজনমত ঠাণ্ডা করার দরকার হয় না। মায়ের বুকের দুধ খাওয়া শিশুকে দেরিতে খাবার পাওয়ার ব‌্যর্থতায় নিরাশ হতে হয় না। সে জানে যখনই তার ক্ষুদা পাবে তখনই সে মায়ের নিরাপদ কোলে স্থান পাবে, আর পাবে মায়ের উষ্ণ স্তন‌্যদুধ। সেই দুধ যতক্ষণ তার প্রয়োজন ততক্ষণ মনের শান্তিতে পান করবে।

নবজাতক শিশু সর্ব প্রধান প্রবৃত্তিগত চাহিদা স্তন চোষাতেই পূর্ণ পরিতৃপ্ত হয়। কারণ যতক্ষণ খুশি সে মায়ের স্তন চুষতে পারে, চুষে চুষে দুধ খেতে পারে। বোতলের দুধে এটি হয় না। বোতলের বোটার ছিদ্র বড় হলে শিশুর পরিতৃপ্তির আগেই দুধ দ্রুত শেষ হয়ে যায়, আবার ছিদ্র সরু হলে টানতে টানতে ‍শিশু ক্লান্ত হয়ে পড়ে, মনের সুখে দুধ খেতে পারে না। এতে তার মনে হতাশা আসে। অনেকের বিশ্বাস যে, মায়ের বুকের দুধ খাওয়া শিশুদের চেয়ে বোতলে দুধ খাওয়া শিশুরা অনেক বেশি আঙুল চোষে, কারণ প্রথম কয়েকমাস চুষে তার পান করার চাহিদা বোতলে মেটাতে পারে না।

শিশুর এই মানসিক তৃপ্তি ছাড়াও বুকের দুধ উপযুক্ত পরিমাণ পুষ্টিকর উপাদানে সমৃদ্ধ। এই দুধ শুধু জীবাণুমুক্ত নয়, এর বিভিন্ন ‍উপাদান রোগ সংক্রমণকে প্রতিরোধও করে। উপরন্তু মায়ের রোগ প্রতিষেধক শক্তি নবজাতক শিশুর মধ‌্যে সঞ্চারিত হয়। পোলিও হাম্‌স, ইনফ্লুয়েঞ্জা প্রভৃতি রোগের প্রতিরোধ ক্ষমতা মায়ের বুকের দুধের মধ‌্যে দিয়ে শিশুর মধ‌্যে যায়।

সন্তান জন্মের পর প্রথম কয়েকদিন পানির মত যে বুকের দুধ বের হয় তাকে 'কোলাস্ট্রাম' বলে। 'কোলাস্ট্রাম' এ প্রচুর শ্বেত-রক্তকণিকা থাকায় তা রোগ সংক্রামণকে প্রতিহত করে। সুতরাং সম্পূর্ণ বুকের দুধে পালিত শিশু খুব কমই পেট বা বুকের সংক্রামক অসুখে ভোগে। গরুর দুধেই এলার্জি হতে দেখা যায় এবং তাতে শিশুকে নিদারুণ দুর্দশায় পড়তে হয়, তা সামলানো অনেক সময়ে কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। অথচ মায়ের বুকের দুধে কোন এলার্জি হয় না। যদি বা অন‌্য কোন কারণে মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানোতে শিশুর ক্ষতি হবার আশংকা থাকে তখন চিকিৎসকের পরামর্শ ও সাহায‌্য নিতে হয়।

অনেক মা তাদের বক্ষ সৌন্দর্য সম্বন্ধে উদ্বিগ্ন হয়। শিশুকে স্তনদান পর্যায়ে মায়েদের দেহ ক্ষয় হয় না। এ সময়ে মায়ের দেহের প্রোটিন ও ক‌্যালসিয়ামের ক্ষয় হয় এইজন‌্য মাকে প্রতিদিনের খাদ‌্য একটু বেশি পরিমাণে খেতে হবে এবং তারসঙ্গে আধ লিটার দুধও খাওয়া উচিত। বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ানোর আগে মায়ের এক গ্লাস পানি বা তরল পানীয় গ্রহণ করা অবশ‌্য কর্তব‌্য।

কোন কোন মা সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ালে তাদের বুকের গঠন আলগা হয়ে পূর্বেকার আকার হারাবে বলে আশংকা করেন। স্তন গঠনের ক্ষেত্রে দুধ উৎপন্নকারী গ্লাণ্ডগুলি অতি ক্ষুদ্র অংশ এটা মনে রাখা উচিত। চর্বিপূর্ণ কোষ দিয়েই স্তনের অধিকাংশটাই তৈরি। যাই হোক, স্তনের এই দুধ উৎপন্নকারী গ্লাণ্ডগুলি স্তনে দুধ আসার সময়ে সংখ‌্যা ও আকৃতিতে বৃদ্ধি পায়। সুতরাং স্তনও ভারী হয়। স্তন ভারী হবার পর যদি তার চামড়াকেও বেড়ে যেতে দেওয়া হয়, তবে পরবর্তীকালে স্তনের চামড়া ও কোষগুলির বিস্তৃতিকে ঠেকানোর জন‌্যে স্তনদ্বয়কে উর্ধ্বমুখী রাখার উপযোগী বক্ষাবরণ ব‌্যবহার করা অত‌্যন্ত প্রয়োজন। কিন্তু গর্ভাবস্থায় এবং শিশুর দুধ খাওয়ার মাসগুলিতে যদি অতিরিক্ত চাপা বক্ষাবরণী ব‌্যবহার করা হয় তবে তা আরও ক্ষতিকর।

ঘুমের (সেডেটিভ) এবং কোষ্টশোধনকারী ওষুধ (পার্গেটিভ) এ সময়ে খাওয়া ভাল নয়। এই ওষুধ বুকের দুধে ক্ষরিত হয়ে শিশুর ক্ষতিসাধন করে। আবার মা টমেটো, পেঁয়াজ, কপি এবং অত‌্যধিক মসলা খেলে শিশুর পায়খানা নরম হবে। তাই কিছুদিনের জন‌্য এগুলো খাওয়া থেকে মায়েদের বিরত থাকা উচিত। বীটের তরকারি মা খেলে শিশুর প্রস্রাব লালচে হতে পারে, কিন্তু তাতে উদ্বিগ্ন হবার কিছু নেই।

প্রত্যেক পিতা-মাতার জন‌্য যে বিষয়গুলো জানা প্রয়োজন

প্রত্যেক পিতা-মাতার জন‌্য যে বিষয়গুলো জানা প্রয়োজন তা বিভিন্ন পেজে আলোচনা করা হয়েছে। পেজের লিংকগুলো নিচের বাটনের মাধ্যমে দেয়া হয়েছে। আপনার পছন্দ অনুযায়ী নিচের বাটনগুলোতে ক্লিক করে পেজগুলো ভিজিট করার জন‌্য অনুরোধ করছি।

শিশু জন্মের পর কিভাবে পরিচর্যা করতে হয়? বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন ভাল নাম রাখা পিতার ওপর সন্তানের হক। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন নামের গুরুত্ব কি? বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন আরবী নামের প্রয়োজনীয়তা কি? বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন পিতার নামেই সন্তানের প্রকৃত পরিচয়। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

দৃষ্টি আকর্ষণঃ সম্মানিত ভিজিটর, ওয়েবসাইটটি ভিজিট করার জন্য আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। আমাদের একটি দল এই ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য দেওয়ার জন্য নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে। আপনি ইচ্ছা করলে এই ওয়েবসাইটে কর্মরত ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে যে কোন পরিমাণ টাকা বিকাশ-এর মাধ্যমে হদিয়া করতে পারেন। হাদিয়া দেওয়ার জন্য বিকাশ পার্সোনাল নাম্বারটি নিচে দেওয়া হলোঃ

01750101908

আরবি, বাংলা ও ইংরেজী অক্ষর দিয়ে মেয়েদের নাম

আরবি, বাংলা ও ইংরেজী অক্ষর দিয়ে মেয়েদের নাম দেখতে আপনার পছন্দ অনুযায়ী নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

আ (ع-ا) (A) দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন ব (B) দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন গ (G) দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন হ (ح-ه) (H) দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন ই-ঈ (I-Y-E) দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন খ (Kha) দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন ক (Q-K) দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন ছ-শ-স ث-ش-س S দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন জ-য (ج-ض-ظ-ز-ذ) Z-J দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন উ (U) দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন ও (W) দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন ত (ت-ط) T দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন ন (ن) N দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন ফ-ف-F দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন ম-م-M দিয়ে মেয়েদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আরবি, বাংলা ও ইংরেজী অক্ষর দিয়ে ছেলেদের নাম

আরবি, বাংলা ও ইংরেজী অক্ষর দিয়ে ছেলেদের নাম দেখতে আপনার পছন্দ অনুযায়ী নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

এ (ع-ا) (A-E-I) দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন আ (ا-ع) (A) দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন ব (ب) (B) দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন দ (د) (D) দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন ফ ف F দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন গ (غ) (G) দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন ই-ঈ (ى-ا-ع) (I-Y-E) দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন জ (ج) (J) দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন খ (خ) (Kha) দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন ল ل L দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন ম (م) (M) দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন ন (ن) (N) দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন উ (ا-ع) (O-U) দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন অ (و) (O) দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন ক (ك-ق) (Q-K) দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন র ر R দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন শ (ش) (S) দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন ছ-স (ث-ص-س) (S) দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন ত (ط-ت) (T) দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন ও (و) (W) দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন য (ز-ذ) (Z-J) দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন