কুরআন শিক্ষা

(রব্বি ঝিদ্‌নী ই'লমা) رَبِّ زِدْنِىْ عِلْمًا [সূরা: ত্বহা-১১৪]

মহান আল্লাহ তা'য়ালার মহাগ্রন্থ আল-কুরআন মাজীদকে সর্বস্তরের মুসলমান তথা স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটি ও আধুনিক শিক্ষিত কর্মজীবি ও বয়স্ক ভাই বোনদেরকে প্রাথমিক ভাবে বিশুদ্ধ কুরআন শিক্ষা ও দৈনন্দিন আমলের প্রয়োজনীয় সূরা-ক্বিরাত, দু'য়া, হাদীস, মাসআলা-মাসাঈল অর্থসহ শিক্ষাদানের মাধ্যমে ইসলামী জীবন পরিচালনার ব্যবস্থা করে মহান আল্লাহ রব্বুল আ'লামীন এর সন্তুষ্টি অর্জন করা আমার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।

আল্লাহ্‌ তা'য়ালা মহান। তাঁরই প্রদত্ত হিদায়াত আল-কুরআন। এই কুরআনের তা'লীম দ্বীনি শিক্ষার একমাত্র ভিত্তি।

ইলমুত তাজউয়ীদ

تَجْوِيْد তাজউয়ীদ শব্দের আভিধানিক অর্থ বিন্যাস, সুন্দর করা ও সাজানো। পারিভাষিক অর্থে যে ইলমের মাধ্যমে আল্‌-কুরআনুল কারীম এর প্রতিটি মাখরাজ ও সিফাত যথাযথভাবে জানা যায় তাকে ইলমুত তাজউয়ীদ বলা হয়।

বিষয়বস্তু :
তাজউয়ীদ এর বিষয়বস্তু হলো حروف القران বা কুরআন এর বর্ণমালা।

উদ্দেশ্য :
সহীহ্‌ভাবে কুরআন তিলাওয়াত করতে সক্ষম হওয়া এবং অর্থগত ও উচ্চারণগত বিকৃতি থেকে কুরআন মাজীদকে হিফাযত করা।

তাজউয়ীদ দুই প্রকার

তাজউয়ীদ দুই প্রকার। যথা: (১) তাত্ত্বিক (২) ব্যবহারিক।

তাত্ত্বিক : ইলমুত তাজউয়ীদ এর নিয়মাবলী জানা ও বুঝা।

ব্যবহারিক : তাজউয়ীদ এর নিয়ম-কানুন পুরো অনুসরণ করে কুরআন মাজীদ তিলাওয়াত করা।

কুরআন তিলাওয়াতের ৩টি তর্জ

কুরআন তিলাওয়াতের ৩টি তর্জ বা ঢং রয়েছে। যেমন: (১) تَرْتِيْل ধীরে-ধীরে। (২) تَدْوِيْر মধ্যম পন্থায়। (৩) حَدَرْ দ্রুত গতি বা তারাতারি।

আরবী হরফ পরিচিতি

আরবী হরফগুলো সঠিক উচ্চারণ করার জন্য প্রতিটি হরফকে আরবীতে বানান করে উচ্চারণ করলে তাঁর সঠিক উচ্চারণ পাওয়া যাবে, তাই হরফের নিচে হরফের নাম বানান করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও হরফের নিচে ঐ হরফটি কি পরিমাণ লম্বা করে উচ্চারণ করতে হবে তা দেওয়া হয়েছে। এখানে উল্লেখ্য যে, ৪ আলিফ পরিমাণ লম্বা করে উচ্চারণ করতে হবে এমন হরফের সংখ্যা ১৫টি, ১ আলিফ পরিমাণ লম্বা করে উচ্চারণ করতে হবে এমন হরফের সংখ্যা ১২টি এবং উচ্চারণে লম্বা হবে না এমন হরফের সংখ্যা ২টি।

ج
جِيْمٌ
৪ আলিফ পরিমাণ লম্বা করে উচ্চারণ করতে হবে
ث
ثَا
১ আলিফ পরিমাণ লম্বা করে উচ্চারণ করতে হবে
ت
تَا
১ আলিফ পরিমাণ লম্বা করে উচ্চারণ করতে হবে
ب
بَا
১ আলিফ পরিমাণ লম্বা করে উচ্চারণ করতে হবে
ا
اَلِفْ
উচ্চারণে লম্বা হবে না
ر
رَا (মোটা হবে)
১ আলিফ পরিমাণ লম্বা করে উচ্চারণ করতে হবে
ذ
ذَالٌ
৪ আলিফ পরিমাণ লম্বা করে উচ্চারণ করতে হবে
د
دَالٌ
৪ আলিফ পরিমাণ লম্বা করে উচ্চারণ করতে হবে
خ
خَا (মোটা হবে)
১ আলিফ পরিমাণ লম্বা করে উচ্চারণ করতে হবে
ح
حَا
১ আলিফ পরিমাণ লম্বা করে উচ্চারণ করতে হবে
ض
ضَادٌ (মোটা হবে)
৪ আলিফ পরিমাণ লম্বা করে উচ্চারণ করতে হবে
ص
صَادٌ (মোটা হবে)
৪ আলিফ পরিমাণ লম্বা করে উচ্চারণ করতে হবে
ش
شِيْنٌ
৪ আলিফ পরিমাণ লম্বা করে উচ্চারণ করতে হবে
س
سِيْنٌ
৪ আলিফ পরিমাণ লম্বা করে উচ্চারণ করতে হবে
ز
زَاىٌ
১ আলিফ পরিমাণ লম্বা করে উচ্চারণ করতে হবে
ف
فَا
১ আলিফ পরিমাণ লম্বা করে উচ্চারণ করতে হবে
غ
غَيْنٌ (মোটা হবে)
৪ আলিফ পরিমাণ লম্বা করে উচ্চারণ করতে হবে
ع
عَيْنٌ
৪ আলিফ পরিমাণ লম্বা করে উচ্চারণ করতে হবে
ظ
ظَا (মোটা হবে)
১ আলিফ পরিমাণ লম্বা করে উচ্চারণ করতে হবে
ط
طَا (মোটা হবে)
১ আলিফ পরিমাণ লম্বা করে উচ্চারণ করতে হবে
ن
نُوْنٌ (ঠোঁট গোল হবে)
৪ আলিফ পরিমাণ লম্বা করে উচ্চারণ করতে হবে
م
مِيْمٌ
৪ আলিফ পরিমাণ লম্বা করে উচ্চারণ করতে হবে
ل
لَامٌ
৪ আলিফ পরিমাণ লম্বা করে উচ্চারণ করতে হবে
ك
كَافٌ
৪ আলিফ পরিমাণ লম্বা করে উচ্চারণ করতে হবে
ق
قَافٌ (মোটা হবে)
৪ আলিফ পরিমাণ লম্বা করে উচ্চারণ করতে হবে
আরবী হরফ মোট ২৯টি ي
يَا
১ আলিফ পরিমাণ লম্বা করে উচ্চারণ করতে হবে
ء
هَمْزَةٌ
উচ্চারণে লম্বা হবে না
ه
هَا
১ আলিফ পরিমাণ লম্বা করে উচ্চারণ করতে হবে
و
وَاوٌ (ঠোঁট গোল হবে)
৪ আলিফ পরিমাণ লম্বা করে উচ্চারণ করতে হবে

মাখরাজ পরিচিতি ও আরবী হরফ উচ্চারণ

মাখরাজ কি? আরবী হরফ সঠিকভাবে উচ্চারণ করতে হলে থাকতে হবে মাখরাজ পরিচিতি। মাখরাজ হলো হরফ উচ্চারণের স্থান। অর্থাৎ, হরফ উচ্চারণের স্থানকে মাখরাজ বলে। আসুন আমরা মাখরাজ পরিচিতি দেখে নিই।

  1. এক নং-মাখরাজ : কন্ঠনালীর শুরু হইতে উচ্চারিত হয়।
    1. ه উচ্চারণে ১ আলিফ লম্বা হবে। হ্বা-هَا । যুক্ত বর্ণঃ ههه
    2. ء উচ্চারণে লম্বা হবে না। হামঝাহ্‌- هَمْزَهْ । যুক্ত বর্ণঃ أإئؤئ
  2. দুই নং-মাখরাজ : কন্ঠনালীর মধ্যখান হইতে উচ্চারিত হয়।
    1. ح উচ্চারণে ১ আলিফ লম্বা হবে। হা- حَا । যুক্ত বর্ণঃ ححح
    2. ع উচ্চারণে ৪ আলিফ লম্বা হবে। আ'ইন- عَيْنْ । যুক্ত বর্ণঃ ععع
  3. তিন নং-মাখরাজ : কন্ঠনালীর শেষ ভাগ হইতে উচ্চারিত হয়।
    1. خ উচ্চারণে ১ আলিফ লম্বা হবে। খ- خَا । যুক্ত বর্ণঃ خخخ
    2. غ উচ্চারণে ৪ আলিফ লম্বা হবে। গইন- غَيْنْ । যুক্ত বর্ণঃ غغغ
  4. চার নং-মাখরাজ : জিহ্বার গোড়া তার বরাবর উপরের তালুর সঙ্গে লাগাইয়া একটি হরফ উচ্চারিত হয়।
    1. ق উচ্চারণে ৪ আলিফ লম্বা হবে এবং উচ্চারণে মোটা হবে। ক্বফ- قَافْ । যুক্ত বর্ণঃ ققق
  5. পাঁচ নং-মাখরাজ : জিহ্বার গোড়া হইতে একটু আগে বাড়াইয়া তার বরাবর উপরের তালুর সঙ্গে লাগাইয়া উচ্চারিত হয়।
    1. ك উচ্চারণে ৪ আলিফ লম্বা হবে। কাফ- كَافْ । যুক্ত বর্ণঃ ككك
  6. ছয় নং-মাখরাজ : জিহ্বার মধ্যখান হইতে তার বরাবর উপরের তালুর সঙ্গে লাগাইয়া উচ্চারিত হয়।
    1. ي উচ্চারণে ১ আলিফ লম্বা হবে। ইয়া- يَا । যুক্ত বর্ণঃ ييي
    2. ش উচ্চারণে ৪ আলিফ লম্বা হবে। শীন- شِيْنْ । যুক্ত বর্ণঃ ششش
    3. ج উচ্চারণে ৪ আলিফ লম্বা হবে। জীম- جِيْمْ । যুক্ত বর্ণঃ ججج
  7. সাত নং-মাখরাজ : জিহ্বার গোড়ার কিনারা উপরের মাড়ির দাঁতের গোড়ার সঙ্গে লাগাইয়া উচ্চারিত হয়।
    1. ض উচ্চারণে ৪ আলিফ লম্বা হবে এবং উচ্চারণ মোটা হবে। দ্বদ- ضَادْ । যুক্ত বর্ণঃ ضضض
  8. আট নং-মাখরাজ : জিহ্বার আগার কিনারা তার বরাবর উপরের দাঁতের মাড়ির সঙ্গে লাগাইয়া উচ্চারিত হয়।
    1. ل উচ্চারণে ৪ আলিফ লম্বা হবে। লাম- لَامْ । যুক্ত বর্ণঃ للل
  9. নয় নং-মাখরাজ : জিহ্বার আগা তার বরাবর উপরের তালুর সঙ্গে লাগাইয়া উচ্চারিত হয়।
    1. ن উচ্চারণে ৪ আলিফ লম্বা হবে। নূন- نُوْنْ । যুক্ত বর্ণঃ ننن
  1. দশ নং-মাখরাজ : জিহ্বার আগার পিঠ তার বরাবর উপরের তালুর সঙ্গে লাগাইয়া উচ্চারিত হয়।
    1. ر উচ্চারণে ১ আলিফ লম্বা হবে এবং উচ্চারণ মোটা হবে। র- رَا । যুক্ত বর্ণঃ رىرىر
  2. এগারো নং-মাখরাজ : জিহ্বার আগা সামনের উপরের দুই দাঁতের গোড়ার সঙ্গে লাগাইয়া উচ্চারিত হয়।
    1. ت উচ্চারণে ১ আলিফ লম্বা হবে। তা- تَا । যুক্ত বর্ণঃ تتت
    2. د উচ্চারণে ৪ আলিফ লম্বা হবে। দাল- دَالْ । যুক্ত বর্ণঃ د ىدىد
    3. ط উচ্চারণে ১ আলিফ লম্বা হবে এবং উচ্চারণ মোটা হবে। ত্ব- طَا । যুক্ত বর্ণঃ ططط
  3. বারো নং-মাখরাজ : জিহ্বার আগা সামনের নিচের দুই দাঁতের আগার সঙ্গে লাগাইয়া উচ্চারিত হয়।
    1. ز উচ্চারণে ১ আলিফ লম্বা হবে। ঝা- زَا । যুক্ত বর্ণঃ زىزىز
    2. س উচ্চারণে ৪ আলিফ লম্বা হবে। সীন- سِيْنْ । যুক্ত বর্ণঃ سسس
    3. ص উচ্চারণে ৪ আলিফ লম্বা হবে এবং উচ্চারণ মোটা হবে। ছদ- صَادْ । যুক্ত বর্ণঃ صصص
  4. তের নং-মাখরাজ : জিহ্বার আগা সামনের উপরের দুই দাঁতের আগার সঙ্গে লাগাইয়া উচ্চারিত হয়।
    1. ث উচ্চারণে ১ আলিফ লম্বা হবে। ছা- ثَا । যুক্ত বর্ণঃ ثثث
    2. ذ উচ্চারণে ৪ আলিফ লম্বা হবে। যাল- ذَالْ । যুক্ত বর্ণঃ ذ ىذ ىذ
    3. ظ উচ্চারণে ১ আলিফ লম্বা হবে এবং উচ্চারণ মোটা হবে। য- ظَا । যুক্ত বর্ণঃ ظ ىظ ىظ
  5. চৌদ্দ নং-মাখরাজ :নিচের ঠোঁটের পেট সামনের উপরের দুই দাঁতের আগার সঙ্গে লাগাইয়া উচ্চারিত হয়।
    1. ف উচ্চারণে ১ আলিফ লম্বা হবে। ফা- فَا । যুক্ত বর্ণঃ ففف
  6. পনেরো নং-মাখরাজ : দুই ঠোঁটের ভেজা জায়গা হইতে উচ্চারিত হয়।
    1. ب উচ্চারণে ১ আলিফ লম্বা হবে। বা- بَا । যুক্ত বর্ণঃ ببب
  7. ষোল নং-মাখরাজ : দুই ঠোঁটের শুকনা জায়গা হইতে উচ্চারিত হয়।
    1. م উচ্চারণে ৪ আলিফ লম্বা হবে। মীম- مِيْمْ । যুক্ত বর্ণঃ ممم
  8. সতের নং-মাখরাজ : দুই ঠোঁট গোল করে সামান্য খোলা রেখে উচ্চারিত হয়।
    1. و উচ্চারণে ৪ আলিফ লম্বা হবে। ওয়াও- وَاوْ । যুক্ত বর্ণঃ و ىو ىو

মাখরাজ চিত্র

এখানে মাখরাজের চিত্র দেওয়া হয়েছে। এই চিত্রে মুখের বিভিন্ন যায়গায় বিভিন্ন হরফ উচ্চারণের অবস্থান দেখানো হয়েছে। অর্থাৎ, কোন হরফ মুখের কোন জায়গা থেকে উচ্চারণ করতে হবে তা এই চিত্রের মাধ্যমে দেখানো হয়েছে।

মাখরাজ চিত্র

কুরআন শিক্ষার বিষয়সমূহ

এখানে কুরআন শিক্ষার বিষয়সমূহ দেওয়া হলোঃ হরফের পরিচয়, মুরাক্‌কাব, হরকতের পরিচয়, যবরের উচ্চারণ, যেরের উচ্চারণ, পেশের উচ্চারণ, তানউয়ীনের উচ্চারণ, জঝমের উচ্চারণ, জঝম ব্যবহারের মাধ্যমে বানান শিক্ষা, ক্বলক্বলার পরিচয়, মাদ্দ এর হরফের পরিচয়, লীনের হরফের পরিচয়, তাশদীদের পরিচয়, ওয়াজিব গুন্নাহ্‌'র পরিচয়, নূন সাকিন ও তানউয়ীন-এর পরিচয়, ইক্বলাব এর পরিচয়, ইদগাম এর পরিচয়, ইযহার এর পরিচয়, ইখফা এর পরিচয়, মীম সাকিন এর পরিচয়, তিলাওয়াত ওয়াক্‌ফ করার নিয়মাবলী ইত্যাদি সহীহ্‌ভাবে কুরআন শিক্ষা করার জন্য জানতে হবে। এখানে পর্যায়ক্রমে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে ইনশাআল্লাহ।

দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের বিবরণ ও নিয়্যত

এখানে দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের বিবরণ ও নিয়্যত দেওয়া হয়েছে।

ফজরের নামাযঃ ফজরের নামায চার রাক'আত। দুই রাক'আত সুন্নত এবং দুই রাক'আত ফরয।

যোহরের নামাযঃ যোহরের নামায ১২ রাক'আত। চার রাক'আত সুন্নাত, চার রাক'আত ফরয, দুই রাক'আত সুন্নাত ও দুই রাক'আত নফল।

আসরের নামাযঃ আসরের নামায আট রাক'আত। চার রাক'আত সুন্নাত ও চার রাক'আত ফরয।

মাগরিবের নামাযঃ মাগরিবের নামায সাত রাক'আত। তিন রাক'আত ফরয, দুই রাক'আত সুন্নাত এবং দুই রাক'আত নফল।

এশার নামায (বিতর সহ) এশার নামায ১৭ রাক'আত। চার রাক'আত সুন্নাত, চার রাক'আত ফরয, দুই রাক'আত সুন্নাত ও দুই রাক'আত নফল। তারপর তিন রাক'আত বিতর ও দুই রাক'আত শফিউল বিতর (নফল)।

দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের বিবরণ ও নিয়্যত পড়তে এখানে ক্লিক করুন

নামাযের ওয়াক্তসমূহ কি কি?

আমরা এখানে জানবো নামাযের ওয়াক্তসমূহ কি কি। দৈনিক পাঁচবার নামায পড়া ফরয। এ নামাযের জন্য শরীয়তের নির্দিষ্ট সময় নির্ধারিত আছে। যথাঃ ১. ফজর, ২. যোহর, ৩. আসর, ৪. মাগরিব ও ৫. এশা।

নামাযের ওয়াক্তসমূহ কি কি? বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

ওযূ কত প্রকার ও কি কি?

ওযূ কত প্রকার ও কি কি, ওযূর নিয়্যত কি, ওযূর দোয়া কি, ‍ওযূর ফরয কি, ওযূর সুন্নাত কি, ওযূর মোস্তাহাব কি, ওযূর মাকরূহ কি, ওযূ ভঙ্গের কারণ কি, ওযূর নিয়ম কি, ওযূ সম্পর্কীয় বিভিন্ন মাসায়েল পড়তে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

ওযূ কত প্রকার ও কি কি? এখানে পড়ুন

গোসলের বিবরণ- গোসল কত প্রকার ও কি কি

গোসল কত প্রকার ও কি কি, গোসল ফরজ হওয়ার কারণ কি, গোসল ওয়াজিব হওয়ার কারণ কি, সুন্নাত গোসল কি, মুস্তাহাব গোসল কি, গোসলের ফরয কয়টি, গোসলের সুন্নাত কয়টি, গোসলের মুস্তাহাব কয়টি, গোসলের নিয়ত কি, গোসলের নিয়ম কি পড়তে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

গোসল কত প্রকার ও কি কি এখানে পড়ুন

তায়াম্মুম কি? তায়াম্মুম এর বিবরণ

তায়াম্মুম কি, তায়াম্মুম এর বিবরণ, কি কি কারণে তায়াম্মুম করা যায়, তায়াম্মুম এর ফরয কি, তায়াম্মুম এর সুন্নাত কি, তায়াম্মুম এর নিয়ত কি, তায়াম্মুম করার নিয়ম কি, কি কি কারণে তায়াম্মুম ভঙ্গ হয় পড়তে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

তায়াম্মুম কি? তায়াম্মুম এর বিবরণ এখানে পড়ুন